নাইজেরিয়ায় সহিংসতায় ৬৯ জনের মৃত্যু

Nigeria_.jpg

Protesters chant and sing solidarity songs as they barricade barricade the Lagos-Ibadan expressway to protest against police brutality and the killing of protesters by the military, at Magboro, Ogun State, on October 21, 2020. - Buildings in Nigeria's main city of Lagos were torched on October 21, 2020 and sporadic clashes erupted after the shooting of peaceful protesters in which Amnesty International said security forces had killed several people. Witnesses said gunmen opened fire on a crowd of over 1,000 people on the evening of October 20, 2020, to disperse them after a curfew was imposed to end spiralling protests over police brutality and deep-rooted social grievances. (Photo by PIUS UTOMI EKPEI / AFP)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

পুলিশের বর্বরতার বিরুদ্ধে নাইজেরিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এসব সমাবেশে ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি।

নিহতদের বেশির ভাগই সাধারণ নাগরিক। তবে এর মধ্যে বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসার ও সেনাসদস্য রয়েছে।

চলমান অস্থিতিশীলতার সমাধানে নাইজেরিয়ার সাবেক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকের সময় মৃত্যুর সংখ্যা প্রেসিডেন্ট বুহারি উল্লেখ করেন বলে তার এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে যে দলটি বিক্ষোভের আয়োজন করেছে তারা এখন জনসাধারণকে ঘরে অবস্থানের আহ্বান জানাচ্ছেন। নারীবাদী ওই জোটটি রাজ্যগুলোতে আরোপিত কারফিউ মানার জন্য জনসাধারণকে পরামর্শ দিচ্ছে।

হঠাৎ করে নাটকীয়ভাবে বিক্ষোভের তীব্রতা কমে আসলেও অনেক শহরে এক ধরনের অস্বস্তিকর শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল লাগোস রাজ্যে আরোপিত কারফিউ শিথিল করা হতে পারে।

চলমান বিক্ষোভের শুরুটা হয় গত ৭ অক্টোবর। দেশটির পুলিশের কুখ্যাত ইউনিট স্পেশাল অ্যান্টি-রোবারি স্কোয়াডের (সার্স) নৃশংসতার লাগাম টেনে ধরার আহ্বানে আন্দোলনে নামে দেশটির তরুণ জনগোষ্ঠী।

তীব্র আন্দোলনের মুখে কয়েক দিনের মধ্যেই পুলিশের ইউনিটটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হলেও আন্দোলন চলতে থাকে। নাইজেরিয়ার সরকারে ব্যাপক পরিবর্তন আনার দাবি ওঠে।

গত মঙ্গলবার দেশটির বৃহত্তম শহর লাগোসে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তাবাহিনী গুলি চালালে তা আরও ছড়িয়ে পড়ে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করে, ওই ঘটনায় অন্তত ১২ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও ওই গোলাগুলিতে নিজেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনী।

এদিকে, শুক্রবার এক ভার্চুয়াল সভায় বুহারি জানান, বিক্ষোভকারীদের দাবি পূরণে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্দোলনের সুযোগে যারা সহিংসতা চালাচ্ছে তাদের দমনে সরকার অস্ত্র গুটিয়ে রাখবে না বলেও জানান নাইজেরিয়া প্রেসিডেন্ট।

সভায় বুহারি বলেন, সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ৫১ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আর নিরাপত্তাবাহিনীর মধ্যে ১১ জন পুলিশ অফিসার ও সাতজন সৈনিকের প্রাণ গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top