শতবর্ষী অসহায় কিরণ বালার ঘর করে দিলেন জামায়াতের আমীর ডাঃ শফীকুর রহমান

pixlr.jpg

দিসিএম…

শতবর্ষী অসহায় কিরণ বালার ঘর করে দিলেন আমীরে জামায়াত ডাঃ শফীকুর রহমান।

অবশেষে মাগুরার শ্রীপুরের ১০৮ বছর বয়সী অসহায় বৃদ্ধা মহিলা কিরণ বালা মন্ডলের ঘর করে দিলেন #বাংলাদেশ_জামায়াতে_ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা:শফিকুর রহমান ,এ নিয়ে
এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে পড়েছে ব্যাপক সাড়া।
মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চিলগাড়ী গ্রামের এক অসহায় বৃদ্ধা মহিলা কিরণ বালা মন্ডল। বয়স ১০৮ বছর। জীবনের এতোগুলো বছর পেরিয়ে তিনি অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলেন।

সম্প্রতি বৃদ্ধা মহিলাটিকে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃইয়াছিন কবীর ভাতার ব্যবস্থা করলেও তাঁর থাকার জন্য তেমন কোনো ভালো ব্যবস্থা ছিল না। প্রেস মিডিয়ার মাধ্যমে খবরটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা: শফিকুর রহমানের দৃষ্টি গোচরে আসে।

এমতবস্থায় তিনি মহিলাটির বসবাসের জন্য একটি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ৭ আগষ্ট ২০২০ যথারীতি ঘরটির নির্মান কাজ শুরু হয়ে তা ১ মাসের ভীতরেই নির্মিত হয়। সব মিলে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ কক্ষ বিশিষ্ট ২৫ বন্দের (হাফ ওয়ালের) আধাপাঁকা ঘর, সাথে রয়েছে ২টি সিলিং ফ্যান, খাট, বাক্স, তোষক বালিশ ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ কিরণ বালাকে তালা চাবি দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অতি সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রেীয় আমীর ডা: শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের অন্যতম সদস্য মোবারক হোসাইনকে সঙ্গে নিয়ে ছুটে আসেন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের চিলগাড়ী গ্রামের কিরণ বালা মন্ডলের বাড়ীতে। শতবর্ষী মহিলাটি তাকে পেয়ে আবেগে উদ্বেলিত হয়ে উঠেন। তার চোখ থেকে পানি নির্গত হতে থাকে। তার আনন্দ আর উচ্ছাস কান্নায় রূপান্তরিত হয়ে এক আবেগময় পরিবেশের অবতারণা করে, মহিলাটির যেন এ এক পরম পাওয়া। কিরণ বালার কোনো পুত্র সন্তান নেই। তার দু কন্যা সন্তান, আবার তার কন্যাদেরও কোনো পুত্র সন্তান নেই, তবে কিরণ বালার নাতনীর “মনি কুমার নামে” একমাত্র পুত্র সন্তান আছে। জামায়াতের আমীর কিরণ বালার নাতনীর পুত্র মনি কুমার বিশ্বাসের কর্মসংস্থানের জন্য আর্থিক সহায়তা দেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ছাড়াও কেন্দ্রীয় ও জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান সরকারের পক্ষ থেকে অসহায় বৃদ্ধা কিরণ বালার ঘর অনেক আগেই পাওয়া উচিৎ ছিলো, কিন্তু অনেক দিন হয়ে গেল কিন্তু কেউই অসহায় এই কিরণ বালার ঘর করে দেয়ার জন্য এগিয়ে এলোনা, বরং এগিয়ে এলো জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর, তারা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে, জামায়াত যে মানবতার সেবাই এত বেশি ভালো কাজ করে সেটা আগে আমাদের জানা ছিলো না, বেঁচে থাক তাঁরা,বেঁচে থাক মানবতা, তাদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইলো অসংখ্য দোয়া ও আর্শিবাদ। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত প্রকার ভেদাভেদ ভূলে মানবতার এই মহৎ সেবাই সরকার, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সমাজের বিত্তবানেরা আরো এগিয়ে আসবেন এমনটায় প্রত্যাশা করছেন সমাজের বিশিষ্টজনেরা ।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top