করোনা শনাক্তে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট অকার্যকর: বিএসএমএমইউ

d1233da8-40b2-4054-aefc-b3fe60afc013.jpg

নিউজ ডেস্ক।।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে উদ্ভাবিত কিট করোনাভাইরাস শনাক্তে ‘কার্যকর নয়’ বলে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মূল্যায়ন কমিটি।

আজ বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি এ তথ্য জানান।

কনক কান্তি বলেন, ‘‘উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে ওই কিট দিয়ে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ রোগীর সংক্রমণ শনাক্ত করা সম্ভব। এই কিট করোনাভাইরাস শনাক্তে কার্যকর নয়।”

উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তারা কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউকে চিঠি দেয়। গত ২ মে বিএসএমএমইউর কর্তৃপক্ষ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে। পরে বিএসএমএমইউতে কিট জমা দেয় গণস্বাস্থ্য।

পরে বিএসএমএমইউর অধ্যাপক শাহিনা তাবাসসুমের নেতৃত্বাধীন পারফরম্যান্স কমিটি গণস্বাস্থ্যের কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে। কমিটি আজ (১৭ জুন) সকালে বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে প্রতিবেদন সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এ ধরনের কিটে পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনেক বেশি ‘ফলস পজেটিভ কিংবা ফলস নেগেটিভ’ রেজাল্ট আসে। মহামারীর এই সময়ে এরকম ভুল ফলাফল মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে, কারণ ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট পেয়ে কেউ নিজেকে ভাইরাসমুক্ত মনে করলেও বাস্তবে তিনি হয়ত বহু মানুষকে আক্রান্ত করবেন।

বিএসএমএমইউর একটি সূত্র জানায়, কোনো কিট ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক ফলাফল না দিলে তাকে আসলে কার্যকর বলা যায় না। যেহেতু এই কিট দিয়ে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ রোগীর সংক্রমণ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাই এটি করোনাভাইরাস শনাক্তে কার্যকর নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top