কক্সবাজার হোটেল সী প্রিন্সেসে ২শ’ বেডের আইসোলেশন সেন্টার শুক্রবার চালু হচ্ছে

Presentation1-10.jpg

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট বীচে হোটেল সী প্রিন্সেস-এ ২শ’ বেডের করোনা আইসোলেশন সেন্টার আগামী শুক্রবার ৫জুন থেকে চালু করা হবে। যেসব করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর শরীরে কোন উপসর্গ নেই তাদেরকে পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত হোটেল সী প্রিন্সেস-এর

২শ’ বেডের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে রাখা হবে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব- উপসচিব) এবং এ বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির আহবায়ক মোঃ আফসারুল আফসার এতথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার সদরে অস্বাভাবিকভাবে করোনা আক্রান্ত রোগী বেড়ে যাওয়ায় উপসর্গহীন রোগীদের হোম আইসোলেশন না রেখে আক্রান্ত রোগীর এলাকা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ঝুঁকিমুক্ত করতে এই প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত করা হচ্ছে। হোম আইসোলেশনে থেকে অনেক করোনা রোগী যত্রতত্র ঘুরাফেরার ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ার যথেষ্ট আশংকা থাকে।

ওয়ার্কিং কমিটির আহবায়ক মোঃ আফসারুল আফসার আরো বলেন, হোটেল সী প্রিন্সেস নামক এই আবাসিক হোটলটি’র
আইসোলেশন সেন্টার চলাকালীন যে বিদ্যুৎ বিল, টেলিফোন বিল সহ যে সব খাতে প্রকৃত কিছু ব্যয় হবে, সেসব ব্যয় আইসোলেশন সেন্টার চালানোর জন্য সৃষ্ট ফান্ড থেকে পরিশোধ করা হবে। এছাড়া হোটেলটির যে সব স্টাফ আইসোলেশন সেন্টারে কর্মরত থাকবে তাদের বেতন ভাতাও আইসোলেশন সেন্টারের ফান্ড থেকে দেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব- উপসচিব) এবং এ বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির আহবায়ক মোঃ আফসারুল আফসার আরো বলেন, আইসোলেশন সেন্টারে থাকা রোগীদের নিজস্ব অর্থ দিয়ে খাওয়া দাওয়া করতে হবে। তবে যারা অস্বচ্ছল ও আর্থিক সংগতি নেই আইসোলেশন সেন্টারের ফান্ড থেকে তাদের ফ্রী খাওয়া, চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবস্থা করা হবে। এই আইসোলেশন সেন্টারে নিয়মিত চিকিৎসক ও এম্বুলেন্স থাকবে। এই আইসোলেশন সেন্টারে যাদের শরীরে উপসর্গ দেখা দেবে তাদেরকে আইসোলেশন হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে বলে জানান এডিসি (রাজস্ব-উপসচিব) মোঃ আফসারুল আফসার।

এদিকে, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাঃ শাজাহান আলি’র নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম মঙ্গলবার ২জুন হোটেল সী প্রিন্সেস
আইসোলেশন সেন্টারটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে কক্সবাজার সদরের ইউএনও মাহমুদ উল্লাহ মারুফ, কক্সবাজার বক্ষব্যাধী হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. আলমগীর মহিউদ্দিন, HWO এর কক্সবাজার প্রধান ডা. তায় এর নেতৃত্বে HWO এর একটি টিম উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা হোটেল সী প্রিন্সেস
আইসোলেশন সেন্টার’টির সার্বিক প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন ও বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top