কক্সবাজারে আরও ৯ করোনা রোগী শনাক্ত

Presentation1-47.jpg

দিসিএম

কক্সবাজারে আজ মঙ্গলবার (১২ মে) আরও ৯ জন করোনারোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে পেকুয়ায় ৪ জন, চকরিয়ায় ৪ জন এবং টেকনাফে একজন রোগী রয়েছেন।

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের (কমেক) আইইডিসিআর ল্যাবে মঙ্গলবার ১৭৬ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়্। এর মধ্যে ১৪ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। অন্য ৫ জন চট্টগ্রাম জেলার বাসিন্দা।

এনিয়ে জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১১১ জনে দাঁড়িয়েছে যাদের মধ্যে প্রথম আক্রান্তসহ মোট ২৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অন্যরা বিভিন্ন আইসোলেশনে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে রামুস্থ জেলা আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন।

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অনুপম বড়ুয়া জানান, মঙ্গলবার কমেক-এর আইইডিসিআর-এর ল্যাবে ১৭৬ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে যাদের মধ্যে ১৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এবং অন্যদের রিপোর্ট নেগেটিভ।

তিনি জানান, করোনা শনাক্তদের মধ্যে কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ৪ জন, পেকুয়ায় ৪ জন এবং টেকনাফের একজন। আর চট্টগ্রাম জেলার ৫ রোগীর মধ্যে চারজন লোহাগাড়ার এবং একজন সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা।

কমেক-এর আইইডিসিআর-এর ল্যাবে কক্সবাজার জেলা ছাড়াও চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার বাসিন্দাদের জন্য করোনা পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। তবে মঙ্গলবার বান্দরবান জেলার কোনো ব্যক্তির শরীরে করোনা শনাক্ত হয়নি।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১১ জনে। এর মধ্যে চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, পেকুয়া, উখিয়া ও টেকনাফে করোনারোগী শনাক্ত হলেও কুতুবদিয়ায় এখনও করোনারোগী শনাক্ত হয়নি।

তিনি জানান, কক্সবাজারে প্রথম করোনা ধরা পড়ে ২৪ মার্চ। এ পর্যন্ত প্রথম রোগীসহ ২৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কক্সবাজারে একমাত্র করোনা রোগী মারা যান গত ৩০ এপ্রিল সদর হাসপাতালে। রামুর এ রোগীকে আগের দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে বেশ কিছু সংখ্যক রোগী মিথ্যা ঠিকানা দিয়ে করোনা পরীক্ষা করার পর লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে স্বাস্থ্যকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শহরের বার্মিজ মার্কেট ও বৈদ্যঘোনা এলাকার বাসিন্দা পরিচয় দানকারী এমনই দুই যুবকের শরীরে করোনা শনাক্ত হলেও এখনও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মোর্শেদ আলম (৪০) রবিবার নমুনা পরীক্ষার জন্য দেন আর ইয়াসির আরাফাত (২৫) দেন শুক্রবার (৮ মে)। পরদিন তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে কিন্তু রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর স্বাস্থ্যকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাসা লকডাউন করতে গেলেও তাদের হদিস মিলেনি।

এর আগে সদরের বাংলাবাজার এবং শহরের টেকপাড়াসহ জেলার আরো কিছু এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে স্বাস্থ্যবিভাগ কর্মীদের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top