কক্সবাজারে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী

মুসলিমা খাতুনকে সবায় ভয় পেলেও, মায়ের পাশে থেকেও সুস্থ মেয়ে সাফিয়া

kor_2.jpg

বিশেষ প্রতিবেদন


সাবাস সাফিয়া
জেলার প্রথম করোনা রোগী একজন রত্নগর্ভা মা। তাঁর এমন দুর্দিনে ভয়ে পালাচ্ছেন সবাই। আত্মীয়স্বজন-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি হাসপাতালের অন্যান্য রোগীরাও আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। অনেক রোগী হাসপাতাল ছেড়ে পালাচ্ছেন। জরুরী বিভাগেও কমে গেছে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু এমনই আতংকজনক পরিস্থিতিতে এই রত্মাগর্ভা মায়ের পাশে রয়েছেন মাত্র একজন, তিনি মেয়ে সাফিয়া। সাহসী-অবিচল-মানবতাবাদী সাফিয়ার জন্য হাজারো সালাম।
সাফিয়া এবং করোনা আক্রান্ত তার মায়ের জন্য সবাই অন্তর খুলে দোয়া করুন।


স্ট্যাটাসটি  দৈনিক আজাদী জেলা প্রতিনিধি আহমদ গিয়াস এর টাইম লাইন থেকে নেয়া। আজ ২৫শে মার্চ সকাল ১০ টার দিকে এই লেকাটি পোস্ট করেন।যাতে সফিয়ার মায়য়ের প্রতি এই ত্যাগ ভালবাসার জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন।

সূত্রমতে,কক্সবাজার জেলার প্রথম করোনা রোগী রত্নগর্ভা মুসলিমা খাতুন (৭৫)। তাঁর এমন দুর্দিনে ভয়ে পালাচ্ছেন সবাই। আত্মীয়স্বজন-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি হাসপাতালের অন্যান্য রোগীরাও আতংকগ্রস্ত।
হাসপাতাল ছেড়ে যাচ্ছে অনেক রোগী। নতুন কোন রোগি চিকিৎসাসেবা নিতে যেতেও ভয় পাচ্ছে। কমে গেছে জরুরী বিভাগের রোগীর সংখ্যা। ডাক্তার-নার্সরাও খুব সতর্ক। ইতোধ্যে হাসপাতালের ১০ জন চিকিৎসক, ৮ জন নার্সসহ ২১ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছে।
এমনই আতংকজনক পরিস্থিতিতে এই রত্মাগর্ভা মায়ের পাশে রয়েছেন মাত্র একজন, তিনি মেয়ে সাফিয়া খাতুন। হাসপাতালের নির্ধারিত কক্ষে থেকেই মায়ের সেবা দিচ্ছেন। তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পুর্ণ সুস্থ।
এ বিষয়ে জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোহাম্মদ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী জানান, মুসলিমা খাতুনকে সর্বোচ্চ যত্নের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে। বেশী উন্নতি না হলেও অবনতি ঘটে নি।
মেয়ে সাফিয়াও সুস্থ আছেন। তার জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট বাইর থেকে দেয়া হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top