সরকারি আইন কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম গুন্দুকে নিয়ে দৈনিক ইনানীতে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা..ওসি (তদন্ত) খায়রুজ্জামান

received_1210639839134812.jpeg

মাজেদুল হক চৌধুরীঃ-

সরকারী আইন কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম গুন্দু কে নিয়ে দৈনিক ইনানীতে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা —-ওসি ( তদন্ত) খায়রুজ্জামান।

সংবাদ কর্মীদের ওপর মানুষ এখন আর আস্থা রাখতে পারছেন না । পত্রিকার প্রতিও ক্রমাগত পাঠক বিশ্বাস হারিয়েছেন,ফলে পাঠক সংখ্যাও দিনে দিনে হ্রাস পাচ্ছে ।
গত ২১ নবেম্বর দু’একটি স্থানীয় পত্রিকায় খ্যাতিমান লেখক, বিশিষ্ট আইনজীবী সরকারী আইন কর্মকর্তা এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দুকে নিয়ে একটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও আপত্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে । পত্রিকাদ্বয় তাঁর ছবি সম্বলিত যে সংবাদটি প্রকাশ করেছে সেখানে কোনো সূত্র দিতে পারেনি। রাজনৈতিক ভাবে তাঁকে হেয় পতিপন্ন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর কু-মানসে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এ সংবাদটি প্রকাশ করেছে। একটি বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে, এ জন্য মানহানীর মামলার প্রস্ততি চলছে।

জানা যায়, গত ২০ নবেম্বর শহরের লালদিঘীর পাড়স্থ ইডেন গার্ডেন সিটিতে অবস্থিত তাঁর ব্যক্তিগত চেম্বার থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় । জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে স্ব-সম্মানে ছেড়ে দেয়া হয় ।

এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দু কক্সবাজার জেলার পেকুয়ার গোঁয়াখালী মাতবর বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । পারিবারিক কঠোর অনুশাসনের মধ্যেও থাকে কেউ ধমিয়ে রাখতে পারেননি । তিনি ক্রমাগত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন । কক্সবাজার সরকারী মহাবিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়নরক অবস্থাতেই পর্যটন নগরী কক্সবাজারের আনাচে – কানাচে একজন তুখোড় ছাত্রনেতা হিসাবে ফখরুল ইসলাম গুন্দু ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন । তিনি একজন মেধাবী,কর্মঠ,দক্ষ সংগঠক ও সাহসী ছাত্রনেতা হিসাবে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নিজেকে সু – প্রতিষ্ঠিত করার কারণে স্থানীয় নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় অনেক নেতার আশির্বাদ পুষ্ট হন । যার ফলে তিনি কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের পর্যায়ক্রমে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সভাপতি হিসাবে দক্ষতার সাথে দুইবার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান ।
তিনি কখনো জেল – জুলুমের ভয় না করে মিটিং,মিছিল ও রাজপখে সক্রিয় থাকতেন বিধায় – নেতাকর্মীদের নিকট একজন বিশ্বস্থ রাজপথের সাহসী নেতা হিসেবে তাদের অকুন্ঠ সমর্থনে জেলা যুবলীগ,জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগের শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করায় জেলা ব্যাপী একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
তিনি ছাত্ররাজনীতি থেকে বিদায় নিয়ে ২০০০ সালে আইন পেশায় যোগদান করে রাজনীতির পাশাপাশি আইনজীবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী হিসেবে আইন ব্যবসাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন । এক সময় তিনি এ দেশ এবং এ দেশের মাটি ও মানুষের কথা চিন্তা করে আইনী পেশার পাশাপাশি লেখালেখি শুরু করেন । তথ্যের নির্ভূলতা,ভাষাশৈলী এবং বর্ণনার কৌশলের উপর নির্ভর করে তাঁর কিছু বই হয়ে উঠে সময়ের সেরা বই । “নারী নির্যাতন ও দমন আইন” লিখে তিনি “নির্ণয় স্বর্ণ পদক” লাভ করেন ২০০৫ সালে । তাঁর লেখা অন্যান্য বইগুলি হল – আমি বঙ্গবন্ধুর কথা বলছি, উন্নয়নের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা, আমি শেখ হাসিনার কথা বলছি, নারী নির্যাতন ও দমন আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অস্ত্র ও বিষ্ফোরক আইন উল্লেখযোগ্য।

এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দু রাজনৈতিক পরিমন্ডল ছাড়াও অসংখ্য সামাজিক,সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও ক্রীড়া সংগঠনের সাথে জড়িত।

এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দুর আটকের ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) খায়রুজ্জামান এর কাছ থেকে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দৈনিক ইনানীর সাথে তাঁর কোন কথা হয়নি । ওরা মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে । তিনি আরো বলেন, এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দুকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিনেন এবং এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দু একজন সাদা মনের ভালো মানুষ । উনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উনাকে স্ব-সম্মানে যেতে দেয়া হয়েছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top