পতিতা আতঙ্ক, সক্রিয় বেশ কয়েকটি চক্র!

Untitled-8-copy-5-600x337.jpg

কুমিল্লা নগরীর কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে সম্প্রতি বস্তায় বস্তায় ক’নডম মা’দক জ’ব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব অভিযান মূলত র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা অফিস থেকেই পরিচালিত হয়।হোটেল থেকে খদ্দেরসহ অনেক পতিতা আটক করার পর জরিমানা করা হয়। এছাড়াও মা’দক সেবন কেনাবেচা ও অ’সামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে খদ্দের ও হোটেলের স্টাফসহ অনেক কে সা’জা দেওয়া হয়।

 

আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান বেড়ে যাওয়ার কারনে পতিতারা এখন ভিড় জমাচ্ছে নগরীর রাস্তা ঘাট ও অন্ধকার নির্জন স্থানগুলোতে। কুমিল্লায় গত কিছুদিন ধরে ভাসমান পতিতার সংখ্যা বেড়ে গেছে।কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী টাউন হল মাঠে মূল ফটকের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকে বেশ কয়েকটি পতিতাচক্রের দল। বিকেল শেষে সূর্য যখন পশ্চিমের আকাশে হেলে পরে।

 

যখন সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে লাল-নীল রঙ্গে সাজতে থাকে এই প্রিয় কুমিল্লা শহর। সেই মূহুর্তে কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী টাউন হল মাঠে সামান্য স্বস্তি পেতে জড় হয় সবাই।প্রিয় বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডায় মেতে উঠেন- চাকরিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রী, সাংস্কৃতিক কর্মী, ব্যবসায়িক, সমাজকর্মী সহ কুমিল্লার সর্বস্তরের সাধারন মানুষ।কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ লক্ষ করা যাচ্ছে সন্ধ্যা হওয়ার পরপরই কুমিল্লার এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটির মূল ফটকের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকে ১০-১২ জনের একটি পতিতার দল।

 

বোরকা পড়া, মুখে নেকাপ লাগানো। মাঝে মধ্যে দেখা যায় নেকাপ ছাড়াই খুব ভারি মেকাপ করে দাঁড়িয়ে থাকেন এই পতিতাগুলো। সাধারন মানুষ যাতায়াতের সময় বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি, মুখে বাজে শব্দ উচ্চারণ করে মানুষ বিভ্রান্তিতে ফেলে দিচ্ছে।শুধু তাই নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে কয়েক জন কলেজ ছাত্র, সংস্কৃতি কর্মীর স্ট্যাটাসের মাধ্যমে জানা যায়, এদের একটি চক্র সহজসরল মানুষকে ফাঁসানোর জন্যে বিভিন্ন পন্থা বের করেছে।যেমন ধরুন, “আপনি একা রিক্সায় যাচ্ছেন; হঠাৎ করে আপনার রিক্সায় লাফ দিয়ে উঠে যাবে বোরকা পড়া নেকাপ লাগানো মহিলা। আপনি কিছু বুঝে উঠার আগেই আপনার রিক্সার সামনে এসে পড়বে বৈধ অ’স্ত্রধারী একটি দল।

 

এসেই ভ’য়ভীতি দেখিয়ে মামলা/জেলের কথা বলে যা করবে তার জন্যে আপনি মোটেও প্রস্তুত নয়”। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা যায়- টাউন গেইট সহ সামনের ফুটপাতে, টমছমব্রীজ একালার ফলদোকানের পেছনের অন্ধকার জায়গা গুলোতে ওরা অবস্থান নেয় এবং সরল প্রকৃতি মানুষ দেখলেই এই চক্র অপারেশন শুরু করে।সাধারণ মানুষের প্রশ্ন হচ্ছে প্রশাসনের বহুলোক এই এরিয়াতে থাকে ওদের নাকের ডগায় এই কাজ হচ্ছে তাহলে কেন এখনো প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top