বাসটার্মিনালস্থ ইয়াবা কলোনীতে আতংক, এনজিও কর্মী মারওয়ান ইয়াবাসহ আটক

received_736632913443638.jpeg

বিশেষ প্রতিবেদক | সিবিএম

এনজিও কর্মী মারওয়ান ইয়াবাসহ আটকের পর
শহরের লারপাড়ার ইয়াবা কলোনীতে ইয়াবা বিক্রেতাদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। গত মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর   বিকালে সদর থানার একদল পুলিশ তাকেসহ সিন্ডিকেটের আরো ৪/৫ জনকে আটক করে। আটক মারওয়ান শহরের গ্যাসপাম্প এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে। সে অগ্রযাত্রা নামক এনজিওতে চাকুরি করে বলে পুলিশকে জানায়।

 

সুত্রে জানা যায়, এনজিওতে চাকুরী করার আড়ালে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে শহরের গ্যাসপাম্পের পশ্চিম পাশের ইয়াবা কলোনীখ্যাত এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে মারওয়ান। টাকার লোভে তার সহযোগীদের নিয়ে গড়ে তোলে ইয়াবা ব্যবসার সিন্ডিকেট। ওই সিন্ডিকেটের গড়ফাদার ছিল শাহজাহান আনসারী। তার হাত ধরেই আয়ত্ব করে নেয় এই ব্যবসা। গড়ে তোলে ২০/৩০ জন যুবকের এই সিন্ডিকেট। ওই এলাকার যুব সমাজ নষ্টের মুলহোতা এই মারওয়ান। পুরো এলাকাকে সকলে এখন ইয়াবা কলোনী হিসেবে চিনে। তার বাবা,ভাই ও বোন জামাই সকলেই মিলে কলাতলী জোনে কটেজ ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা করছে বলে এলাকাবাসী জানায়। হোটেল সী-হেভেন ও হোটেল নিরিবিলি প্যাটেল সহ আরো কয়েকটি হোটেল-কটেজে ভাড়া নিয়ে দেদারছে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা,এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

 

মামলা সুত্রে জানা যায়, ইয়াবা বিক্রির গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকা থেকে মারওয়ানসহ ৩ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে হোটেল আমারী রিসোর্টের ৩য় তলার ৩০৭ নং রুম থেকে ওই সিন্ডিকেটের আরো ২ জনকে আটক করে। ইয়াবার সেম্পল দেখাতে আসলে তাদের হেফাজত থেকে ২ শতাধিক ইয়াবা উদ্ধার করে।পরে ইয়াবা ব্যবসার সম্পৃক্ততায় মামলা দিয়ে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলখানায় পাঠায় পুলিশ,যার মামলা নং-৫৯।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানায়, মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় নাই, সে যেই হোক। আটকদের ইয়াবা মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ইয়াবা কলোনী ও অভিযুক্ত কটেজগুলোতেও শীঘ্রই অভিযান চালানো হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top