কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে বোট মালিক সমিতির বিক্ষোভ

received_372034200409234.jpeg

এম. মনছুর আলম, চকরিয়াঃ
উপকূলীয় চকরিয়ায় ও মহেশখালী চ্যানেলে বোট নিয়ে মাছ শিকার করতে যাওয়া সমুদ্রে জেলে ও বোট মালিকদের ওপর বদরখালীস্থ কোস্টগার্ডের চাঁদাদাবী, শাররীক নির্যাতন ও হয়রানী করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে বোট মালিক সমিতি। একই সঙ্গে তারা উপকূলীয় বদরখালীস্থ কোস্টগার্ডের দায়িত্বরত কর্মকর্তার অপসারণ দাবী করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯সেপ্টেম্বর) দুপর দেড়টার দিকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বোট মালিকরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। বদরখালী ফিশিং বোট মালিক বহুমুখী সমবায় সমিতির আয়োজনে এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজিত মানববন্ধনে তারা দাবি করেন, মহেশখালী জোনের অধিনস্থ বদরখালী কোস্টগার্ডের দায়িত্বরত কর্মকর্তার নেতৃত্বে উপকূলীয় চকরিয়ায় ও মহেশখালী চ্যানেলে বোট নিয়ে মাছ শিকার করতে যাওয়া সমুদ্রে জেলে ও বোট মালিকদের ওপর কোস্টগার্ডের অনিয়মতান্ত্রীক চাঁদাদাবী, শাররীক নির্যাতন ও হয়রানী করে আসছে। তাদেরকে চাঁদা না দিলে ফিশিং বোটে থাকা জেলে ও মালিকদের মারধর করে নানা নির্যাতন চালিয়ে হুমকি প্রদান করেন বলে সমিতির নেতৃবৃন্দরা দাবি করেন।
মানববন্ধনে অত্যাচারের বিবরণ বর্ননা করে সদস্যরা বলেন, প্রতিনিয়ত ফিশিং বোটে থাকা জেলে ও বোট মালিক সদস্যদের এমন আচরণ করেন কোস্টগার্ড যেন আমরা নিজ দেশে থেকে পরদেশী বলে মনে হয়।
বদরখালীস্থ ফিশিং মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম জানান, বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য আইনকে সম্মান করে জেলেরা ইলিশ প্রজনন মৌসুমে বা জাটকা নিধন বন্ধে সাড়া দিয়ে মৎস্য আহরণ করতে সাগরে কোন ধরণের ফিশিং বোট নিয়ে না যাওয়ার নির্দেশনা যথা সময়ে পালন করে আসছি। এরপরও কোস্টগার্ডের লোকজন অহেতুক ভাবে নানা অজুহাতে জেলেদের অত্যাচার করে যাচ্ছে। তিনি এ নিয়ে কক্সবাজার-১(চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জাফর আলম এম এ, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশানের কাছে কোস্টগার্ডের অত্যাচার থেকে রক্ষা করা ও নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে ফিশিং বোট মালিক সমিতির পক্ষথেকে জোর দাবী জানান । মানববন্ধন ও বিক্ষোভের পূর্বে বদরখালী ফিশিং বোট মালিক বহুমুখী সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা কোস্টগার্ডের অত্যাচার ও চাঁদাদাবী বিষয়টি চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জাফর আলম এম এ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সাক্ষাত করে তারা নানা ঘটনার বিবরণ মৌখিক ভাবে অবহিত করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বদরখালী ফিশিং বোট মালিক বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম, কার্যকরী কমিটির সদস্য মফিজ উদ্দিন কালু ও হারুনুর রশিদ, সমিতির সদস্য ও বোটের মালিকদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাকের হোসেন, নাজেম উদ্দিন, শাহাব উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, বাদশা, নাজেম উদ্দিন, নুরুল হাসেম, নাজেম উদ্দিন, জাফর আলম, ওবাইদুল হক, মৌলভী শামসুল আলম, জসিম উদ্দিনসহ শতাধিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top