পর্যটন কর্পোরেশনের জমিতে মার্কেট : বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সিন্ডিকেট

5063_me.jpg

মাহাবুবুর রহমান :
কক্সবাজারে পর্যটন কর্পোরেশনের জমি অবৈধ ভাবে লীজ দেওয়ার নামে বিপুল টাকা লুটপাট করছে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বীচ এলাকার  কিছু চিহ্নিত ভুমিদস্যূদের সাথে গোপান আতাত করে বাইরে টিনের ঘেরা দিয়ে ভেতরে মার্কেট নির্মাণ করে প্রতিটি দোকান সর্বনিম্ন ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। পর্যটন কর্পোরেশন ম্যানেজারের দাবী উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে জমি লীজ দেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবী এভাবে সরকারি জমি নামে বেনামে দখল বিক্রি করে বিপুল টাকা আয় করছে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার শহরের মূলবীচ পয়েন্ট দিয়ে যাওয়ার পথে হোটেল কল্লোলের সামনে সরকারি পর্যটন কর্পোরেশনের জমিতে টিনের ঘেরা বেড়া দিয়ে ভেতরে কাঠ এবং বাশেঁর ফ্রেম  এবং উপরে লোহার ফ্রেম উপরে টিন দিয়ে  দোকান করছে একটি চক্র। ভেতরে গিয়ে ছবি তুলতে চাইলে প্রথমে বাধা আসলে ও পরে সাংবাদিক পরিচয় দিলে ছবি তুলতে দেয়। তবে সেখানে হাসান নামের ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া নাকি কারো প্রবেশ নিষেধ। এ সময় পাশের দোকানদার নাম প্রকাশ না করে বলেন,হাসান এবং আরিফ নামের দুজন এই মার্কেট নির্মাণ করছে এখানে ৭/৮ টি দোকান হবে প্রতিটি দোকান ইতি মধ্যে বিক্রি হচ্ছে সর্বনি¤œ ৫ লাখ টাকা করে। তার সাথে মাসিক ভাড়াতো আছেই। তবে তাদের দাবী এভাবে সরকারি জমিগুলো কৌশলে আত্বসাৎ করছে চিহ্নিত ভূমি দস্যুরা। মূলত পর্যটন কর্পোরেশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে এই জমি আত্বসাৎ করে ব্যবসা করে আসছে। পরে তাদের আবার উচ্ছেদ করতে সরকারের বিপুল টাকা খরচ করতে হয়। কিন্তু এতদিন ধরে যারা সরকারি জমি দিয়ে ব্যবসা করেছে তাদের কোন বিচার হয়না।এদিকে পর্যটন কর্পোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, মূলত বর্তমান ম্যানেজারের যোগসাজোসে কিছু চিহ্নিত ভুমিদস্যূরা এসব কাজ করছে আমরা ছোট কর্মচারী কিছু বলতে পারিনা। উনারা কক্সবাজার আসে টাকা আয় করার জন্য। কিছুদিন চাকরী করে যাওয়ার সময় কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা এখানে আসে। আর হোটেল কল্লোলের সামনে জমিটি সম্পূর্ন অবৈধ ভাবে ম্যানাজেরের ইশারায় দখল হয়েছে। এখানে নামে মাত্র কিছু টাকা দিয়ে বাৎসরিক লীজ দেখিয়ে বিপুল টাকা আত্বসাৎ করাই হচ্ছে তাদের আসল কাজ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হাসান নামের লীজ গ্রহণকারী বলেন,সেই জমিটি একটি ডোবা সেখানে পর্যটন কর্পোরেশনের অনুরোধে আমরা সংস্কার করে কাজ করছি। আমরা কেউ কিছু করলে সাংবাদিকদের সমস্যা হয় কেন বুঝিনা। তারপরও আপনারা গিয়ে দেখুন কোন সমস্যা নেই।
কক্সবাজার পর্যটন কর্পোরেশনের ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উক্ত জমিটি চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশে বছরে ৫০ হাজার টাকায় লীজ দেওয়া হয়েছে। সেখানে কয়টি দোকান করবে,কত টাকা দিয়ে ভাড়া দেবে সেটা তাদের ব্যাপার।তবে জমিটি একটি পরিত্যাক্ত ডোবা সেটা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতেই  মূলত জমিটি লীজ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top