লোকসানের মুখে কক্সবাজারের জেলেরা

5040_me.jpg

দিসিএম অনলাইন

চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন জেলেরা। ৬৫ দিন পর্যন্ত মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞার পর ২২ দিনেও মাছে দেখা পায়নি জেলেরা। ফলে হতাশা বিরাজ করছে জেলে পল্লীতে। তবে সতর্ক সংকেত প্রত্যহার হওয়ায় গতকাল ১৫ আগষ্ট থেকে আবারো সাগারে যেতে শুরু করেছে ফিশিং ট্রলার। আবহাওয়া অফিস বলেছে এখন কোন সতর্কতা সংকেত নেই।
ইলিশ শিকার মৌসুমের শুরুতেই বিরূপ আবহাওয়া হোচট খেয়েছে মৎস্য সংশ্লিষ্টরা। কিছু ট্রলার সাগরে গেলেও আশানুরুপ মাছ পায়নি। এতে জেলেদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় মাত্র কয়েক মণ মাছ নিয়ে ফিরতে হয়েছে জেলেদের।
প্রাপ্ত তথ্যমতে গত ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে গিয়ে বিরুপ আবহাওয়ার কারণে ফিরে আসতে হয়েছে জেলেদের। মহেশখালীর এফবি আবচারের মালিক নুরুল আবচার জানিয়েছেন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যহার হওয়ার পর থেকে এই পর্যন্ত ৩ বার সাগর থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। প্রতিবারই ২ লাখ টাকা করে লোকসান গেছে। ৬৫ দিন মাছ ধরা কার্যক্রম বন্ধ রাখার পর এমন অবস্থায় আমরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে। এতে আমাদের করার কিছু নেই।
এদিকে জেলেরা সাগরে যথা সময়ে মাছ ধরতে না পারায় বাজারে মাছের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যহারের পর মাছের মুল্য নি¤œ হলেও তা মাত্র ৩দিন স্থায়ী ছিল। পরবর্তীতে আবার বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে মাঝারি গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০০-১৫০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায়, কেজি বা দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০০ টাকায়। লইট্যা প্রতি কেজিতে ৪০/৫০ টাকা করে বেড়েছে। একই সাথে চিংড়িসহ প্রায় প্রতিটি মাছের মুল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহায়াবিদ আবদুর রহমান জানিয়েছেন, ৩ নং সতর্কতা সংকেত তুলে নেওয়া হয়েছে। সাগর কিছুটা উত্তাল থাকবে ও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ ছাড়া আবহাওয়া মোটামুটি ভাল থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top