সৈকতের আকাশে ড্রাগন-সাপ-মৎস্যকন্যা

trump-elhan-5.jpg
সোনালী রোদে পড়ন্ত বিকালে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের আকাশে উড়েছে নানা রঙের ঘুড়ি। আর এই ঘুড়ি উড়ানোর উৎসবে মেতেছে পর্যটকসহ অনেকে। আবার শৈশবের দুরন্তপনায় ঘুড়ি উড়ানোর কথাও মনে করছে অনেকেই। আয়োজকরা বলছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যান্ত্রিকতার জীবন থেকে একটু নির্মূল বাতাসে নিয়ে আসায় তাদের মূল উদ্দেশ্য। আর যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানালেন, এই উৎসবের মাধ্যমে কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের পরিচিতি বিশ্ব দরবারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বিশাল সৈকত, সোনালী রোদে পড়ন্ত বিকেল তার আকাশে উড়ছে ড্রাগন, সাপ, কালো পাহাড়, মাছরাঙ্গা, কামরাঙ্গা, মৎস্যকন্যা, প্রজাপতি সহ নানা রঙের ঘুড়ি। একে অন্যের গা ঘেঁষে মুক্ত আকাশে ভাসছিল, তখন মনোরম পরিবেশে তা দেখছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। আবার বেড়াতে আসা অনেকে নাটাই নিয়ে বালিয়াড়িতে ঘুড়ি উড়াতে ব্যস্ত। আর সৈকতের এই ঘুড়ি উৎসবে এসে কেউ ফিরে যাচ্ছে শৈশবে আর কেউবা আচ্ছন্ন মুগ্ধতায়।
শুক্রবার বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশনের আয়োজনে ২ দিনব্যাপী ‘জাতীয় ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মি ঝাং জু। এসময় তিনি জানালেন, এই উৎসবের মাধ্যমে কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের পরিচিতি বিশ্ব দরবারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
 বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান মৃধা জানালেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যান্ত্রিকতার জীবন থেকে একটু নির্মূল বাতাসে নিয়ে আসার জন্য তাদের এই আয়োজন।
এবারের উৎসবে ঐতিহ্যের আদি উপাদান দীর্ঘ ২৫ ফুট বিরাট টেরাকোটা টেপা পুতুল, নৃত্যরত বিশাল হাওয়াই মানুষ, ভয়ংকর ড্রাগন, চরকি ও আলোক সজ্জিত ঘুড়ি সহ দু’শতাধিক নানা ধরণের বর্ণিল ঘুড়ি রয়েছে।
আপনার মন্তব্য লিখুন
Top