২০ দলীয় জোটের বৈঠকে নেতারা : জামায়াত এই জোটে আছে, থাকবে

55508061_1304312746386602_4268877276642279424_n-28.jpg

কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জোট ও দলগতভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০ দলীয় জোট। জামায়াতও এই জোটে শরিক হিসেবে আছে এবং থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অভিন্ন দাবিতে ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পাশাপাশি আন্দোলন চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার দাবির আন্দোলন সফল করতে অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০ দলীয় জোট।

সোমবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা যায়। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রাতে এই বৈঠক হয়। জাতীয় নির্বাচনের পর ২০ দলীয় জোটের আনুষ্ঠানিকভাবে এটাই প্রথম বৈঠক।

এই বৈঠকে শীর্ষপর্যায়ের দুই নেতার কেউ অংশ না নিলেও জামায়াতের প্রতিনিধি হিসাবে নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুল হালিম অংশ নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, আবদুল হালিম বলেছেন, পত্র-পত্রিকায় জামায়াত ও ২০ দলীয় জোট নিয়ে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা পত্রিকার ভাষা। এটা জামায়াতের বক্তব্য নয়।

বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানও অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘জামায়াত ২০ দলীয় জোটে আছে এবং থাকবে।’

এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশের এই ক্রান্তিকালে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন,  ‘সভায় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সুচিকিৎসার স্বার্থে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছে। এই দাবিতে জোটগতভাবে এবং জোটের শরিক দলগুলো নিজ নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দেশনেত্রীর মুক্তির সঙ্গে গণতন্ত্রের মুক্তি একাকার হয়ে গেছে। আমরা গণতন্ত্রের মুক্তি চাই। ২০ দল দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ গণ আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে কোনো টানাপোড়ন নেই। আমরা পাশাপাশি আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাব।

সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অল্প সময়ের মধ্যে জোটগতভাবে মানববন্ধন, প্রতীকী অনশনের মতো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। রাজপথের আন্দোলনের বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত জামায়াতের প্রতিনিধি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তারা যেকোনো আন্দোলনে শরীক হতে প্রস্তুত রয়েছেন। অতীতের মতো এই আন্দোলনকে সফল করার জন্য যা করা দরকার তা জামায়াত করবে।

সূত্র আমাদের সময়

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top