কক্সবাজার সরকারি কলেজে বঙ্গবন্ধুর জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

40325134_321464395256082_4626984399877963776_n-6.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

১৭ মার্চ ২০১৯ তারিখ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস- ২০১৯ উপলক্ষে কক্সবাজার সরকারি কলেজে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহাফিল অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯ টায় কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পনের মধ্যে দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। সকাল সাড়ে ৯ টায় প্রশাসনিক ভবনের ২০৪নং কক্ষে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ হতে পাঠের মাধ্যমে আলোচনা সভার শুরু হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৯৯তম জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস- ২০১৯ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো: সোলাইমানের সভাপতিত্বে এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নুরুল হামিদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের মান্যবর অধ্যক্ষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরী। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দূর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর পার্থ সারথি সোম, উদ্ভিদবিজ্ঞানের বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক রনজিত বিশ^াস। শিক্ষকগণের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ নুরুল আলম, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর হোসাইন আহমেদ আরিফ ইলাহী, রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বিপ্লব কান্তি পাল, ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অরুন বিকাশ বড়–য়া, সহকারি অধ্যাপক মুহাম্মদ উল্লাহ, প্রভাষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক ওবাইদুল হক। বক্তাগণ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সাথে সাথে জাতীয় শিশু দিবসের তাৎপর্য তুলেধরে শিশুশ্রম, শিশু পাঁচার ও শিশু নির্যাতন বন্ধের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আবরার সাকিব।

সভাপতি তাঁর সমাপনী বক্তব্যে কলেজের প্রশাসনসহ কমিটির সদস্য ও উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচনা সভা শেষে ‘বঙ্গবন্ধু ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ, কেক কেটে জন্মদিন উদ্্যাপন, দোয়া মাহফিল, আপ্যায়ন পর্ব ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top