শেষ মুহুর্তে জোর লবিং সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঢাকায় জেলার ৭ উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী ঘোষনা আজ

received_377603979705700.jpeg

জাহাঙ্গীর আলম শামস্
জেলার ৭টি উপজেলার আওয়ামীলীগের প্রার্থী নির্ধারন হবে আজ। আজ সন্ধ্যায় গনভবনে আওয়ামীলীগের নির্বাচনী বোর্ডের সভায় কক্সবাজারে ৭ উপজেলার প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হবে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে জেলার ৭ উপজেলায় এবার কক্সবাজারের আওয়ামীলীগের মনোনয়নে চমক আসছে বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। অভিজ্ঞ ও ত্যাগী নেতাদের পাশাপাশি তরুনদেরও এইবার প্রাধান্য দেয় হচ্ছে। আওয়ামীলীগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারী ও দলিয়
জরিপ এবং তৃনমূলের মতামতের সমন্বয়ে নির্বাচনী বোর্ড কক্সবাজারে পেকুয়ায় মোহাম্মদ হোছাইন, কুতুবদিয়ায় এড ফরিদুল ইসলাম, মহেশখালীতে হোসাইন মোহাম্মদ ইব্রাহীম, সদরে আবু তালেব,রামুতে সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে যাচ্ছে,উখিয়ায় ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও টেকনাফে শিল্পপতি মোহাম্মদ ইসমাইল দলিয় মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়। তবে শেষ মুহুত্বে কয়েকটি উপজেলায় হিসেব নিকেশ পাল্টেও যেতে পারে। পেকুয়ায় আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কাশেম, মহেশখালীতে ছমি উদ্দিন, সদরে কায়সারুল হক জুয়েল, রামু উপজেলা বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়াজুল আলম,উখিয়ায় হামিদুল হক চৌধুরী আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম মোজাম্মেল হক এর সন্তান কায়সারুল হক জুয়েল সদর উপজেলায় দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছে, গণভবনে দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে স্বাক্ষাত করার কথাও রয়েছে বলে তার পরিবারের সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলা শক্ত অবস্থানে রায়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হোছাইন বিএ, এদিকে আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে সবাই যার যার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও যোগ্য। তাই এবার কক্সবাজার সদরসহ ৭ উপজেলায় প্রার্থী নির্বাচনে বেশ চমক থাকতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় থাকায় প্রার্থীরাও নিজেদের আরো এগিয়ে রাখতে এবং যোগ্যতাকে তুলে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের বড়দল হিসেবে আওয়ামী লীগে অনেক যোগ্য প্রার্থী থাকতে পারে। এসব যোগ্য প্রার্থীর মধ্যে থেকেই সর্বাধিক যোগ্যদের প্রার্থী দিতে হবে। যোগ্যতা বিচারে সব কিছুকে গুরুত্ব দিতে হবে। জনমানুষের সাথে সম্পৃক্ততা, রাজনীতিতে অতীতের অবদান, বর্তমান কর্মকান্ড, দলের জন্য ত্যাগ এবং সর্বসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে বিবেচনায় নিতে হবে। উল্লেখ্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৬ ফেব্রুয়ারি, বাছাই ২৮ ফেব্রæয়ারি, প্রত্যাহার ৭ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top