টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

-শোক-প্রকাশ-ও.jpg

দিসিএম ।।

কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে দুই জন নিহত হয়েছে। র‌্যাব ও বিজিবি বলছে, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মাদক ব্যবসায়ী ও অন্যজন রোহিঙ্গা শীর্ষ ডাকাত। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার সকালে টেকনাফের সাবরাং ও দমদমিয়া এলাকায় এ পৃথক দুটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যায় যৌথ তল্লাশী চৌকিতে ইয়াবাসহ বিল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে শুক্রবার সকালে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার হয়ে আসবে বলে বিজিবির কাছে তথ্য দেয়। এতে বিল্লাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বিজিবির একটি দল সকালে অভিযান যায়। এক পর্যায়ে মিয়ানমার দিক থেকে আসা কয়েকজন লোককে দেখতে পেয়ে বিজিবির সদস্যরা থামার জন্য সংকেত দেয়। তারা বিজিবির সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। বিজিবি সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে পাওয়া যায়। এসময় ঘটনাস্থলে পাওয়া যায় ৯ হাজার ইয়াবা। পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয় আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের টেকনাফ ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব বলেন, শুক্রবার ভোরে টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় কিছু দুষ্কৃতিকারি জড়ো হয়েছে খবরে র‌্যাবের একটি টহলদল সেখানে পৌঁছে। দুষ্কৃতিকারিরা র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অতর্কিত গুলি ছুঁড়তে থাকে। র‌্যাব সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এক পর্যায়ে দুষ্কৃতিকারিরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এসময় সেখানে পাওয়া যায় ২ টি বিদেশী পিস্তল, ২ টি ম্যাগজিন ও ১৩টি গুলি। পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

শাহেদ আরও বলেন, গোলাগুলিতে নিহত নুরুল আলম শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত। সে টেককনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরের আনসার ক্যাম্পের অস্ত্র লুট ও ক্যাম্প কমান্ডার হত্যা ঘটনার মূলহোতা। এ ঘটনায় মামলার আসামী নুরুল দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। সে রোহিঙ্গাদের সংগঠিত করে ডাকাতিসহ নানা অপরাধ সংঘটন করে আসছিল।

নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top