রোহিঙ্গা ডাকাত নুরুল আলম ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত, অস্ত্র উদ্ধার

Presentation1-95.jpg

ইমাম খাইর,
কক্সবাজারে নবগঠিত এডহক ভিত্তিতে পরিচালিত র‍্যাবের নতুন ব্যাটালিয়ন-র‍্যাব-১৫ এর অভিযানিক দলের সাথে টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় ডাকাত দলের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে।

এতে শীর্ষ ডাকাত (বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক) এবং নয়াপাড়া আনসার ক্যাম্প লুট ও আনসার কমান্ডার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা নুরুল আলম (৩০) প্রকাশ কমান্ডার জুবায়ের নিহত হয়েছে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দু’টি বিদেশী পিস্তল, দু’টি ম্যাগজিন ও ১৩ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাকাত নুরুল আলম নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকের এমআরসি নং-৩৪৮৮১, শেড নং-১২৩০, ৬নং রোমের বাসিন্দা মৃত হোসেন প্রকাশ লাল বুইজ্জার ছেলে। সে বহুল আলোচিত শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিম প্রকাশ হাকিম ডাকাতের অন্যতম সহযোগী।

র‍্যাব-১৫ (টেকনাফ) এর স্টেশন কমান্ডার লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব (বিপিএম বার, এক্স বিএন) মুঠোফোনে সিবিএনকে  জানান, শুক্রবার ভোরে তাদের আভিযানিক দলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় একটি ডাকাত দল। আত্মরক্ষার্থে তারাও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। প্রায় ১৫ মিনিট গুলিবিনিময় হয়। এক পর্যায়ে ডাকাতরা পিঁছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আলমের মরদেহ, দু’টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ১৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এতে র‍্যাব-এর দুজন সদস্য সামান্য আহত হয়েছে বলে দাবি করেন মির্জা শাহেদ মাহতাব।

আহত দুজনকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

মির্জা মাহতাব জানান, নুরুল আলম র্শীষ রোহিঙ্গা ডাকাত এবং টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ১১টি অস্ত্র লুট ও আনসার ক্যাম্পের পিসি আলী হোসেনকে হত্যাকারী। সে দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতিসহ নানা অপরাধ সংঘঠিত করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি হত্যাসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে।

র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে খুদে বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নিহতের মারদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।

২০১৬ সালের ১৩ মে ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফ নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্পে সশস্ত্র ডাকাতদল হামলা চালিয়ে আনসার ব্যারাক থেকে ১১টি অস্ত্র লুট করে এবং এ সময় বাধা দিতে গিয়ে আনসার ক্যাম্পের পিসি আলী হোসেন (৫০) ডাকাতদলের গুলিতে নিহত হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top