তফসিল ঘোষণার পর সারাদেশে সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত

Ec1-480x250.png

দিসিএম ডেস্ক

তফসিল ঘোষণার পর আলোচনা করে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ।

আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী সোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা (ঐক্যফ্রন্ট) সেনাবাহিনী মোতায়নের দাবি জানিয়েছেন, সিইসি তাদের জানিয়েছে এখনো তফসিল ঘোষণা হয়নি। তফসিলের পর নির্বাচন কমিশনাররা বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, ওনারা (ঐক্যফ্রন্ট নেতারা) বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৭ নভেম্বর আলোচনা রয়েছে তাদের, তাতে নজর রাখতে বলেছেন। তফসিল ঘোষণার একমাত্র এখতিয়ার ইসির। নির্বাচন কমিশন সেটা খেয়াল করে দেখবেন। তবে ৮ তারিখের তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়ে রয়েছে। আমার মনে হয় না পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী ৮ নভেম্বর এ বিষয়ে বৈঠক, কিন্তু ৭ তারিখের ফলাফল ওখানে প্রতিফলিত হতে পারে।

তিনি বলেন, তারা ইভিএম ব্যবহার না করার কথা জানিয়েছে। কমিশন বলেছে, সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে কতটি কেন্দ্রে বা কোন কোন কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে তা চূড়ান্ত হয়নি।

হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা ও নির্বাচনের ফল ঘোষণার বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কমিশন একমত হয়েছে।

এর আগে বিকেলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। আ স ম রবের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুলতান মনসুর, নঈম জাহাঙ্গীর।

অন্যদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম, রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top