টার্গেট উপজেলা নির্বাচন : মাঠে নেমেছে তরুন প্রার্থীরা

Presentation1-2.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক :
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচন চলাকালিন সময়ে বা তার পরপরই ঘোষনা করা হবে উপজেলা পরিষদের তফসিল। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য জেলার অধিকাংশ উপজেলায় ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে তরুন রাজনীতিবিদরা। তরুনরা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার খবরে উচ্ছসিত জেলার অধিকাংশ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। সাধারণ ভোটারদের আশা তরুন নেতৃত্ব আসলে এলাকার উন্নয়নের গতি অনেক বেড়ে যাবে।
কক্সবাজার জেলায় বিভিন্ন উপজেলায় আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তরুন ও গ্রহনযোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদের মধ্যেই অনেকেই বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে মাঠে কাজ শুরু করেছেন। তাঁরা স্থানীয় এমপি ও যার যার মত করে রাজনৈতিক কর্মকা- এবং সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যেইসব তরুন প্রার্থীদের মাঠে দেখা যাচ্ছে তারা হলেন- কক্সবাজার সদর উপজেলায় প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা একেএম মোজাম্মেল হকের কনিষ্ঠ পুত্র ও জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সারুল হক জুয়েল, বর্তমান উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান শামসুল আলম বাহাদুর, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন জিকু, জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিম, শ্রমিক নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফজল কোম্পানীর ছেলে আমিনুল ইসলাম হাসান। রামু উপজেলা পরিষদে তরুন বিএনপি নেতা মেরাজ আহম্মেদ মাহিন চৌধুরী, রামু উপজেলা যুবলীগ নেতা নিতিশ বড়ুয়া। উখিয়া উপজেলা থেকে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক চৌধুরীর জৈষ্ঠ পুত্র আওয়ামীলীগ নেতা ইমরুল কায়েস চৌধুরী, উখিয়া-টেকনাফে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরীর পুত্র তারেক মাহমুদ চৌধুরী রাজিব, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহম্মদ। টেকনাফ উপজেলা পরিষদে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর পুত্র মাহবুব মোরশেদ, টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম, বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সরওয়ার আলম। চকরিয়া থেকে জেলা পরিষদের সদস্য জাহেদুল ইসলাম লিটু, জামায়াত নেতা সমাজসেবক আবদুল্লাহ আল ফারুক। পেকুয়া উপজেলা থেকে যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, পেকুয়া ছাত্রলীগের সভাপতি কফিল উদ্দিন। মহেশখালী থেকে কালারমারছড়ার সাবেক চেয়ারম্যান ওসমান গনীর প্রথম পুত্র এড. নোমান শরিফ, জেলা ছাত্রলীগ নেতা আসাদুল্লাহ সায়েম, যুবলীগের সভাপতি সাজেদুল করিম।
সাধারন ভোটাররা মনে করেন তরুন এই প্রার্থীদের সকলেই বয়সে তরুণ এবং এলাকায় তাদের রাজনৈতিক সু-পরিচিতি রয়েছে। তরুন এই প্রার্থীদের সততা ও ব্যক্তিত্ব নিয়েও সাধারণ মানুষ খুবই সন্তুষ্ট। তরুন প্রার্থীদের অধিকাংশই ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তাই সাধারণ মানুষের আস্থাও এই তরুনদের উপরে অনেক বেশি। উপজেলা নির্বাচনে এই তরুন প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেলে তাদের জয়লাভ অনেকটা সহজ হবে বলে মনে করেন সাধারণ ভোটাররা।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top