ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা-ছেলের আত্মহত্যা

195338_1-3.jpg

দিসিএম ডেস্ক।।
কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মা (৩৫) ও ছেলে (২) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১১ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর স্টেশনের ২ কি.মি. আগে গেটপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পোড়াদহ জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনিল কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছন।

তিনি জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

প্রতক্ষদর্শী রনি ও আরিফুল জানান, মহিলাটি তার শিশুকে নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। অনেকে তাকে রেললাইন থেকে সরে যেতে বললে কিন্তু তিনি শোনেননি।

কুষ্টিয়ার আরো খবর…
কুষ্টিয়ায় প্রধান শিক্ষককে চড় মারলেন কমিটি সভাপতি!
ঢাকা: কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। তবে সভাপতি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ওই প্রধান শিক্ষককের নাম মোনায়েত হোসেন। তিনি উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের ধাপারিয়া সাপকামড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক। তবে মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সভাপতি আবদুস সালাম।

মারধরের শিকার মোনায়েত হোসেন অভিযোগ বলেন, ‘দুপুরে সভাপতি আবদুস সালাম তার কক্ষে প্রবেশ করেন। প্রবেশ করেই বিদ্যালয়ের সরঞ্জাম ও মেরামতের জন্য সরকারের দেওয়া ৪০ হাজার টাকা দাবি করে বসেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং চড়-থাপ্পড় মারেন।’

বিদ্যালয়ের সম্পদ কারও ব্যক্তিগত খরচের টাকা নয়—এমন কথা বলতেই সভাপতি তাকে মারধর শুরু করেন বলেও জানান প্রধান শিক্ষক।

এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর স্কুলের ছোটখাটো উন্নয়নের জন্য ‘স্লিপ ফান্ড’ নামে একটি ফান্ডে টাকা দেয় সরকার। এটা পরিচালনা করার জন্য কমিটি থাকে। সেই কমিটি কাজগুলো করে থাকে। ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আবদুস সালাম বিদ্যালয়ে গিয়ে টাকা চাইলে প্রধান শিক্ষক টাকা দিতে না চাইলে তিনি প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন।’ তিনি বলেন, ‘এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এটা হতে থাকলে বেড়ায় খেত খাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হবে।’

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। তবে কোনো টাকাপয়সা চাইনি এবং কারও গায়ে হাতও তুলিনি।’

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top