শাপলা চত্বরে শহীদগণ ইসলামী প্রেরণার বাতিঘর -মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ

Screenshot_3.png

বাংলাদেশ  খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর বলেছেন, ৫ মে দিবাগত রাতে শাপলা চত্বরে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন তারা যুগে যুগে ইসলাম প্রতিষ্ঠার সৈনিকদের প্রেরণার  বাতিঘর হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ঐদিন কেউ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা কাউকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য শাপলা চত্বরে আসেনি বরং আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শানে ধৃষ্টতা প্রদর্শনকারী নাস্তিক্যবাদীদের বিচারের দাবিতে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। সারাদিনের ক্লান্ত-শ্রান্ত ও পিপাসার্ত জনতার উপর মধ্যরাতে সরকারি বাহিনী যে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছিল তা নজীরবিহীন। এর জন্য দায়ীদেরকে অবশ্যই আল্লাহর দরবারে জবাবদিহি করতে হবে।
গতকাল শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরস্থ জামিয়া নূরিয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলার এক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মান্নান হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক শায়খুল হাদীস মাওলানা আজীম উদ্দীন, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ বাশার, মাওলানা ইলিয়াস মাদারীপুরী, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, আবুল হাসান শাহজাহান, মুফতী মামুনুর রশিদ, মাস্টার আনসার উদ্দীন, মাওলানা রুহুল আমীন, মাওলানা আবুল কাশেম, মাওলানা ওলীউল্লাহ, মাওলানা সানাউল্লাহ, মোফাচ্ছির হোসাইন প্রমুখ।
মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উল্টো শীর্ষ উলামায়ে কেরামের নামে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানান। মজলিসে আমেলার বৈঠকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। রমজান আসার আগেই পেঁয়াজ সহ কিছু পণ্যের দাম বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জোর দাবি জানানো হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top