কক্সবাজার শহরে বাঁকখালী নদীর দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান

IMG_20180409_074918.jpg

দিসিএম:: কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছে।

৮ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৩টা থেকে ৮টা পর্যন্ত অভিযানে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিন এর নেতৃত্বে শহরের পেশকার পাড়া এলাকায় অবৈধভাবে বাঁকখালী নদী ভরাট করে বাঁধ দিয়ে মৎস্য চাষ প্রকল্প গড়ে তোলা চিংড়ি ঘেরের বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছে।

উক্ত অভিযানে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অবৈধভাবে বাঁকখালী নদী ভরাটের অপরাধে শহরের পেশকার পাড়া এলাকার মৃত নুরুল হক এর পুত্র আব্দুর রহিম (৬৫) এবং মৃত মাস্টার মুফিজুর রহমানের পুত্র ওয়াহিদুল ইসলাম লিটনতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় বাঁকখালী নদীর পাড়ে অবৈধভাবে সৃজিত বাঁধ কেটে বাঁকখালী নদীর সাথে সংযোগ করে দেয়া হয়।

অভিযানের নেতৃত্বদানকারী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিন জানান, উচ্ছেদকালে অবৈধ চিংড়ি ঘেরের বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছে। বাকঁখালী নদীকে অবৈধ দখল মুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

উক্ত অভিযানে প্রসিকউিটরের দায়িত্ব পালন করেন অত্র কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক সাইফুল আশ্রাব।

উল্লেখ্য, বাঁকখালী নদী ভরাট,বর্জ্ব্য ফেলা বন্ধ ও দখল উচ্ছেদে ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে মহামান্য উচ্চ আদালত শুনানীতে বাঁকখালী নদীতে বর্জ্ব্য ফেলা বন্ধ ও নদীর সীমানা নির্ধারণ করে অনতিবিলম্বে দখলদারদের উচ্ছেদ করার নির্দেশ দেয়া হয়।

এরপরও অধ্যাবদি কক্সবাজার পৌরসভা উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে এখনও বর্জ্ব্য ফেলা এবং পাহাড় কাটা মাটি ফেলে দখল অব্যাহত রেখেছে। আর জেলা প্রশাসনও ও উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সীমানা নির্ধারণ ও দখলদারদের উচ্ছেদের কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

এ ব্যাপারে কক্সবাজারের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো প্রতিনিয়ত আন্দোলন,প্রতিবাদ সভা-সমাবেশ,মানববন্ধন করলেও বাকঁখালী নদীকে অবৈধ দখল মুক্ত করতে প্রশাসন ও পৌরসভা কার্যকর কোন পদক্ষেপ আজ্র গ্রহন করতে পারেনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top