ধানের শীষে হেরে এবার নৌকায় জিতলেন তিনি

102923Mursi-9.jpg

নিউজ ডেস্ক।।

গত ইউপি নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে হেরেছেন। কিন্তু মাত্র দুই বছর পর তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে জিতেছেন।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে তেতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি চার হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয় লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামিনা সুলতানা পেয়েছেন চার হাজার ২৬৬ ভোট। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ছিল ১৩ হাজার ৭৯৪ জন।

এই নির্বাচনে দুইজনই প্রার্থী ছিলেন। বিএনপি থেকে এই উপ-নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেয়া হয়নি। তবে বিএনপির উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদকেই আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তার সঙ্গে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীক নিয়ে সামিনা সুলতানা লড়েছিলেন। সামিনা এই ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মুরাদের স্ত্রী।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তেতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মুরাদের আকস্মিক মৃত্যুতে এই উপ-নির্বাচন হয়।

আওয়ামী লীগ থেকে প্রয়াত মুরাদের স্ত্রীসহ সাতজন প্রার্থী হলেও কাউকে মনোনয়ন না দিয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে মনোনয়ন দেয়া হয়। কালাম ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে মুরাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান।

ওই নির্বাচনের সপ্তাহ খানেক আগে ১৬ এপ্রিল তার লোকজন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুরাদের ওপর বড় পাইকুড়া বাজারে প্রচারণা চলাকালে অতর্কিত হামলা চালায়। সেইসঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে।

এই অভিযোগ এনে তিনি ও তার সমর্থকদের নামে চেয়াম্যান মুরাদ বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। এছাড়া তিনি বিএনপির সমর্থন নিয়ে পর পর দুইবার ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।

এদিকে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভের পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে কালামকে দল থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top