মেধাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্কের ১ একর জায়গা উদ্ধার, ২টি স্থাপনা উচ্ছেদ

received_3856401281039427-1.jpeg

এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের অধিনস্থ মেধাকচ্ছপিয়া বনবিটের আওতাধীন কচ্ছপিয়া এলাকায় বনবিভাগের অভিযানে অবৈধ ভাবে নির্মাণাধীন ২টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসময় বনবিভাগের জায়গায় নির্মিত অবৈধ দুটি টিনের ঘর উচ্ছেদ করে অন্তত ১ একর বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে দখলমুক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬নভেম্বর) বিকালে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তহিদুল
ইসলামের নেতৃত্বে মেধাকচ্ছপিয়া বনবিটের কচ্ছপিয়া ঢালা নামক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানাগেছে, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের মেধাকচ্ছপিয়া বনবিটের অাওতাধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চল মেধাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্কের জায়গায়

বনভূমি দখল করে টিনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) তহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকালে মেধাকচ্চপিয়া বন বিটের কচ্ছপিয়া ঢালায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা দুটি টিনের ঘর উচ্ছেদ করে গুড়িয়ে দেয়া হয়। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অন্তত ১ একর মেধাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্কের বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।

ডিএফও নেতৃত্বে এ অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের কর্মকর্তা ও ফুলছড়ি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.মাজহারুল ইসলাম।

এছাড়াও অভিযানের সময় মেহেরঘোনা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুন মিয়াসহ বিভিন্ন বনবিট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ, মেহেরঘোনা রেঞ্জ,
ডুলাহাজারা বিট, খুটাখালি বিট, মেধাকচ্ছপিয়া বিট, ফুলছড়ি বিট ও বিভিন্ন বিটে নবনিযুক্ত ফরেষ্টারগণ, ভিলেজার ও সি,পি,জি সদস্যগণ, বনজায়গীরদারসহ স্থানীয় শ্রমিকরা অভিযানে অংশ নেন।

অভিযানে অংশ নেয়া ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের কর্মকর্তা ও ফুলছড়ি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জানান, দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যে প্রাকৃতিক বনভূমিগুলোকে রক্ষিত বনাঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, মেদাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্ক তাদের মধ্যে অন্যতম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মেধাকচ্ছপিয়া এ বনভূমিকে সরকার জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করেন। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সংরক্ষিত এ বনভূমিকে রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মেধাকচ্ছপিয়া ন্যাশনাল পার্কের বনভূমির জায়গায় টিনের ঘর নির্মাণ করে বসতি গড়ে তুলেন। বিকালে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) তহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বনবিভাগের কর্মীদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে দুটি অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে দখল উচ্ছেদ করে অন্তত বনবিভাগের এক একর মতো জায়গা অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে দখলমুক্ত করা হয়েছে। এনিয়ে বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট আইনে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন