মাস্ক না থাকায় কক্সবাজারে ১৩ জনকে অর্থদন্ড

IMG_20201123_151845.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

বৈশি^ক মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৬লাখ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিতে আবারও মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। রোববার প্রথমদিনে আদালত চকরিয়া পৌরশহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করেছে। ওইসময় শহরে বিভিন্ন কাজে আগত অন্তত ১৩জন নাগরিকের মুখে মাক্স না থাকায় আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো.তানভীর হোসেন সবাইকে অর্থদন্ড করেছেন। এদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত চকরিয়া পৌরশহরে এ অভিযান পরিচালনা করেন আদালত।

অবশ্য ইতোপুর্বে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার আলোকে করোনা মহামারী থেকে জনগনের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে চকরিয়া উপজেলাবাসির উদ্দেশ্যে সর্তকতা জারি করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ সামসুল তাবরীজ।

সর্তকতা হিসেবে বলা হয়, নির্দেশনা জারির পর থেকে চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পান্তে যে কোন কাজের প্রয়োজনে কোন নাগরিক ঘরের বাইরে আসলে তাকে মাক্স পরতে হবে। কাউকে মাক্স ছাড়াও পাওয়া গেলে জেল-জরিমানা করা হবে। মুলত ওই নির্দেশনার পর রোববার থেকে অভিযান কার্যক্রম জোরদার করেন চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন।

চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও আদলতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট মোঃ তানভীর হোসেন বলেন, বৈশি^ক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে উপজেলা প্রশাসন কাজ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয়ধাপ যেন মারাত্মক আকার ধারন করতে না পারে এবং সবার মুখে মাস্ক নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মাস্কবিহীন চলাচলের কারনে পথচারী, ১৩ জন ব্যক্তিকে ১৩ টি মামলায় ১৯শত টাকা অর্থদন্ড করে জরিমানা করার পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। এসময় চিরিঙ্গা বক্স রোডে রাস্তার উপর পার্কিং করে যানজট সৃষ্টি করার জন্য একটি ট্রাক এবং একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়।

আগামীতেও কেউ মাস্ক পরিধান না করলে শাস্তি ও জরিমানা আরো কঠোরতর হবে এবং ভ্রাম্যমান আদলতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন