মানিকগঞ্জের পদ্মাপাড়েই হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম : প্রতিমন্ত্রী

rasel-ministwer.jpg

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে পদ্মাপাড়ে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের স্থান পরিদর্শন শেষে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। ছবি : এনটিভি

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকায় আছে মানিকগঞ্জের পদ্মাপাড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। চলতি অর্থ বছরেই এই স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ শুরুর সম্ভবনার রয়েছে। সেইসঙ্গে এক সপ্তাহের মধ্যে সমীক্ষা কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হবে।’ আজ শনিবার বিকেলে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে পদ্মাপাড়ে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের যা যা করা দরকার সেটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করা হলে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী রাসেল।

স্টেডিয়ামের জায়গা নির্ধারণের জন্য আসা যুব ও ক্রীড়া  মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব বলেন, ‘ইতোমধ্যে সংসদীয় কমিটির একাধিক সভায় গুরুত্বসহকারে পাটুরিয়ার পদ্মাপাড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ বাস্তবায়নে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল এই স্থানে স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প। পদ্মাপাড়ের এই স্থানটি দেখে সংসদীয় কমিটির সদস্যদের পছন্দ হয়েছে। সুন্দর প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ। যেটি এই পদ্মাপাড়ে আছে। এই স্থানটিতে স্টেডিয়াম নির্মাণের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।’

জ্যাকব আরও বলেন, ‘এখানে শুধু স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে না, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের সব সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।’

বিসিবি পরিচালক সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয় বলেন, ‘আগামী ২০২৬ সালের পর থেকে আমাদের দেশে কয়েকটি চ্যাম্পিয়ানশিপ হবে। কয়েকটা ভেন্যু পাওয়ার জন্য ও হোস্ট হওয়ার জন্য আমরা আবেদন করেছি ক্রিকেট বোর্ড থেকে। সেই লক্ষ্যে এই সময়ের মধ্যে আমাদের স্টেডিয়ামগুলো যদি রেডি হয়ে যাবে।’

এদিকে, এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া  মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, সংসদ সদস্য জাকিয়া তাবাসুম,  মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ ও পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য লিখুন