মাতারবাড়ি কয়লা বিদ‍্যুৎ কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যৌথ বাহিনীর মহড়া

IMG_20201213_213938.jpg

মোঃ আকিব বিন জাকের, মহেশখালী :

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যৌথ অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ ডিসেম্বর ২০২০ রবিবার সকাল ১১ টার সময় উপজেলার মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর উদ্যোগে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ যৌথ বাহিনীর অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী।

সূত্র জানায়, উপজেলার মাতারবাড়ীর ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিয়োজিত দেশ এবং দেশের বাইরের কর্মচারী কর্মকর্তাদের প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর আস্থা তৈরী এবং নিরাপত্তা জোরদার করণের লক্ষ‍্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সশস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের সদস্যগণ কর্তৃক উক্ত অনুশিলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুশীলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী, বিমান বাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার এবং ফায়ার সার্ভিস সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। সেনা সদরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১০ পদাতিক ডিভিশন এ অনুশীলনের আয়োজন করে।

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। প্রকল্পটি কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১৬০০ একর জমির উপর নির্মাণাধীন রয়েছে।প্রকল্পে এলাকার স্থানীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও দেশী-বিদেশী অনেক নাগরিকগণ কর্মরত আছেন।
এছাড়াও যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যেমন অগ্নি দূর্ঘটনা, শ্রমিক অসন্তোষ, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ইত্যাদি ক্ষেত্রে সামগ্রিক নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকল্পে নিয়োজিত দেশি/বিদেশী ব্যক্তিবর্গকে উদ্ধার, স্থানান্তর করা এবং জরুরী পরিস্থিতিতে প্রকল্প এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে সশস্ত্র বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের পূর্ব প্রস্তুতির অংশ গিসেবে এই যৌথ অনুশিলন আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনী যে কোন অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতিতে মাতারবাড়ী প্রকল্প এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল দেশি/বিদেশী ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা প্রদানে সদা প্রস্তুত। উক্ত অনুশিলনের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয় এবং যা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানান অভিযানে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাবৃন্দ।

আপনার মন্তব্য লিখুন