মহেশখালীতে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থাপনের স্থান পরিদর্শনে জাইকার প্রতিনিধি দল

cosx-pp.jpg

হ্যাপী করিম, মহেশখালী:
মহেশখালীতে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থাপনে প্রাথমিক স্থান পরিদর্শন করেছেন জাপানী সংস্থা জাইকার প্রতিনিধি দল।

৬ অক্টোবর সকাল থেকে মহেশখালীর জেটি সংলগ্ন পুরাতন বি আই ডব্লিউ ঘাট, তাজিয়াকাটা ঘাট ও ঘটিভাঙ্গা ঘাট পরিদর্শনকালে ছিলেন- জাইকার প্রতিনিধি নাতা হাসি ও ইবেতা।

এরপর মহেশখালী ডিজিটাল আইল্যান্ড সেন্টার সংলগ্ন স্থানে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় মেয়র পরিদর্শন টিমকে স্বাগত জানান। মহেশখালী জেটি সংলগ্ন এলাকায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থাপনে পৌরসভার পক্ষ থেকে জমি’সহ সার্বিক সহযোগিতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি এ এম গুলদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান, মহেশখালী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রহমান খান, মেরিন ফিশারিজ অফিসার মোঃ আলাউদ্দীন আহসান ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রবি চাকমা, মহেশখালী উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, শিক্ষক ও সাংবাদিক আমিনুল হক, মহেশখালী পৌরসভার কাউন্সিলর খায়ের হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর এবাদুল করিম বাদল ও জয়নাল আবেদীন।

কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান বলেন, মহেশখালীতে প্রায় ১৭ হাজার জেলে ও হাজারও মৎস্য আহরণের বোট থেকে আহরিত মাছ উঠা নামানো ও পরিবহনের সুবিধার্থে স্থাপন করা হবে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র।

মহেশখালীতে মৎস্য অবতরন কেন্দ্র স্থাপনে ট্রলার মালিক, জেলে, আড়ৎদার, পাইকার সহ সকলেই এক ছাদের নিচে মাছ ক্রয়-বিক্রয় এবং রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করবেন। এতে মৎস্য খাতের ভোগান্তি এবং সমস্যা অনেকটাই লাঘব হবে। পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন