টেকনাফের নাফ নদী থেকে তিনদিনে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার

13748_1623687394_2143646550.jpg

টেকনাফ নাফ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় ফের এক নারী ও কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে টেকনাফ থানা পুলিশ। দুজনের পরিচয় শনাক্ত হয়নি।

উদ্ধার হওয়ার মরদেহ নারীর বয়স আনুমানিক ৩০ ও কন্যা শিশুর বয়স আট বছর হবে বলে ধারণা করছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলে সাড়ে পাঁচটার দিকে থানা পুলিশের একটি দল মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

গত তিন দিনে ধরে নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থা মোট নারী ও শিশুর ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার নারী ও দুজন শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরদিন রোববার আরও একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে চারটি মরদেহ একই পরিবারের বলে শনাক্ত করা হয়।

রোববার উদ্ধার হওয়া লাশটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের উখিয়ার বালুখালী ১১নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা জানে আলমের মেয়ে নুর সাইদার। শনিবার জানে আলমের স্ত্রী সমজেদা বেগম এবং দুই মেয়ে রশিদা বেগম ও ছলমা বিবির মরদেহ নাফ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। জানে আলমের এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা করছে, সোমবার উদ্ধার করা এক নারী ও এক শিশু রোহিঙ্গা নাগরিক হতে পারে।

এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, হ্নীলার আলীখালী গ্রামের নাফ নদী অংশে ভাসমান অবস্থায় এক নারী ও এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুটির ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, সোমবার উদ্ধার হওয়া দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শনি ও রোববার উদ্ধার করা একই পরিবারের চারজনের লাশ শনাক্ত করে নিকটাত্মীয় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্বজনদের ধারণা, শুক্রবার দিবাগত রাতে মিয়ানমারে প্রবেশ করতে গিয়ে প্রবল বৃষ্টির হওয়ায় নৌকাডুবিতে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা প্রায় সময় উখিয়ার বালুখালীর ক্যাম্প থেকে মিয়ানমারে জানে আলমের মায়ের কাছে বেড়াতে যেতেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন