ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ম্যারাডোনার

IMG_20201126_195404.jpg

ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর নেই। প্রায় এক দিন কেটে যাওয়ার পরও এ বাক্যটা বিশ্বাস হতে চায় না। কিন্তু অমোঘ সত্য মেনে নিতে হচ্ছে সবাইকে। এরই মধ্যে ম্যারাডোনাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য হাজির হয়েছেন হাজারো মানুষ।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের আবাসস্থল কাসা রোসাদায় আপাতত রাখা হয়েছে কিংবদন্তির মৃতদেহ। আর্জেন্টিনার সাধারণ মানুষ সবাই শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে দলে দলে হাজির হয়েছেন কাসা রোসাদায়।

যে মানুষটি জীবনভর তাঁদের হাসিয়েছেন, কাঁদিয়েছেন, আবেগে ভাসিয়েছেন, তাঁকে শেষবারের মতো দেখার জন্য ছুটছেন সবাই।

এরই মাঝে ম্যারাডোনার মৃত্যুর নানা আনুষ্ঠানিকতা সেরে নিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে ময়নাতদন্ত হয়ে গেছে তাঁর। স্থানীয় সময় ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

১১টায় ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর শরীর নিয়ে যাওয়া হয়েছে শেষকৃত্যের জন্য প্রস্তুত করতে। কাল প্রাথমিকভাবে যেটা জানানো হয়েছিল, সেটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। হৃদ্‌রোগেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এটাও জানা গেছে, ঘুমের মধ্যেই মারা গেছেন জাদুকর।

সান ইসিদ্রো অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে জানানো হয়েছে গতকাল স্থানীয় সময় সাড়ে ১১টায় ম্যারাডোনাকে তাঁর বিছানায় পাওয়া যায়।

চিকিৎসক বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও যখন ব্যর্থ হলেন জাগাতে, তখনই মেনে নিতে হয়েছে সত্যটা।

২০০০ সাল থেকেই নাকি হৃদ্‌রোগে ভুগছেন ম্যারাডোনা, আর গুরুতর রূপ নেওয়া এই শারীরিক সমস্যাই তাঁর অন্তিম যাত্রার কারণ হলো।

ম্যারাডোনাকে সর্বশেষ জীবিত অবস্থায় দেখেছেন তাঁর এক আত্মীয়। ২৪ তারিখ রাত ১১টায় ম্যারাডোনাকে ঘুমাতে যাওয়ার সময় দেখেছিলেন তিনি। এরপর ম্যারাডোনার সঙ্গে আর দেখা হয়নি কারও।

প্রতিপক্ষকে এভাবেই তটস্থ রাখতেন ম্যারাডোনা

প্রতিপক্ষকে এভাবেই তটস্থ রাখতেন ম্যারাডোনা

ছবি: টুইটার

ম্যারাডোনাকে একনজর দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল আর্জেন্টাইন সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে। প্রথমেই ম্যারাডোনাকে দেখে গেছেন প্রথম স্ত্রী ক্লদিয়া ভিয়াফোন ও দুই কন্যা দালমা ও জিয়ানিন্না।

কিছুক্ষণ পর ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যরা এসে শ্রদ্ধা জানিয়ে গেছেন। সকাল ৬টায় বিদায় জানাতে কাসা রোসাদার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন