আত্মসমর্পণ করছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের শতাধিক জলদস্যু

crop.png

মাম খাইর,  

মহেশখালীর পর এবার বৃহত্তর চট্টগ্রামের শতাধিক জলদস্যু আত্মসমর্পণ করছে। যেখানে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত আব্দুল হাকিম প্রকাশ বাইশ্যা ডাকাত, ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইউনুস, জলদস্যু সম্রাট আব্দুল গফুর।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আত্মসমর্পণে আগ্রহী অর্ধশতাধিক জলদস্যু ইতোমধ্যে সেফহোমে চলে গিয়েছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তারা অস্ত্রসহ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করতে পারে।
আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানটির বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
ওই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, আইজিপি, স্বরাষ্ট্র সচিব, ডিজি র‌্যাবসহ সরকার ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানটির সমন্বয় করছেন সাংবাদিক এম এম আকরাম হোসাইন।
তিনি ইতোপূর্বে টেকনাফে মাদক কারবারি ও মহেশখালীতে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের সমন্বয় করেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাংবাদিক এম এম আকরাম হোসাইন বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগে অপরাধীদের জনপদ হিসেবে চিহ্নিত বাঁশখালীর অনেক অস্ত্রধারী, জলদস্যু স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়াসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের শতাধিক জলদস্যু আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন