চকরিয়া অ্যাডভোকেট এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি কর্তৃক সংবর্ধনা প্রদান

আইনজীবীদের কল্যাণে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে: এমপি জাফর আলম

Presentation1-9.jpg

ছোটন কান্তি নাথ :

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমএ বলেছেন, বৃহত্তর চকরিয়ার (পেকুয়াসহ) মানুষের আইনি সেবা সহজতর করতে চকরিয়ায় একটি যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্থাপন করা হবে। এজন্য আইন মন্ত্রণালয় থেকে চুড়ান্ত একটি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। বর্তমান আদালত চত্বরে নির্মাণ করা হবে জুডিশিয়াল কমপ্লেক্স ভবন। সেটিও আইন মন্ত্রণালয় থেকে পাস হয়ে একনেকে অনুমোদনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও আইনজীবীদের জন্য বার ভবন নির্মাণে ব্যক্তিগত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে এক কোটি টাকা বরাদ্দ এনে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এমপি জাফর আলমকে বৃহস্পতিবার সকালে সংবর্ধনা দেওয়া হয় চকরিয়া অ্যাডভোকেট এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে। আইনজীবী মিলনায়তনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি। এ সময় এমপি জাফর আলমকে ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয় নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আলহাজ হাবিব উদ্দিন মিন্টু। তিনি স্বাগত বক্তব্যও প্রদান করেন। নবনির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মঈনউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. কামাল হোছাইন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আলহাজ ইলিয়াছ আরিফ, অ্যাডভোকেট শাহ আলম, অ্যাডভোকেট নুরুল হুদা, অ্যাডভোকেট ওমর আলী, অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান জিকু, অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আজিম, অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, অ্যাডভোকেট সিহাব উদ্দিন আছেম, অ্যাডভোকেট আশিকুল বছির নকীব, অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার ফয়সাল, অ্যাডভোকেট মিফতাব উদ্দিন আহমদসহ সর্বস্তরের আইনজীবী এবং এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আমিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বার এসোসিয়েশন ভবন নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে দেওয়া ৫০ লাখ টাকা ফেরত যাওয়া প্রসঙ্গে এমপি জাফর আলম বলেন, আইনজীবীরা হচ্ছেন আমার আত্মার আত্মীয়। তাই আইনজীবীদের কল্যাণে যা যা করতে হয় আমি তা-ই করে দেবো।
তিনি বলেন, ভবন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় দেওয়া ৫০ লাখ টাকা ফেরত গেলেও আমি ব্যক্তিগতভাবে তদবির করে সেটা দ্বিগুন অর্থাৎ এক কোটি টাকা বরাদ্দ এনে দেবো। পাশাপাশি ব্যক্তিগত পক্ষ থেকেও বড় একটি টাকার অংক আমি আইনজীবী ভবন নির্মাণে বরাদ্দ দেবো। যাতে আইনজীবীরা ভাল পরিবেশে বসে নিজেদের কাজ-কর্ম পরিচালনা করতে পারেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন