কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর

অফিস টাইমে ঝুলছে তালা!

office.jpg

ইমাম খাইর,
রবিবার (২২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টা। কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিসের প্রধান কর্তার কক্ষে ঝুলছে তালা। আশপাশেও শুনশান নিরবতা। নড়াচাড়া তেমন কারো নেই। প্রয়োজনীয় সংবাদের তথ্য দেয়ার কেউ নাই সরকারি এই অফিসে।
নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল আহসানের অফিস কক্ষ বন্ধ দেখে ফিরে গেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেবাপ্রার্থী। শুধু প্রধানকর্তার অফিসের চিত্র নয়। উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ জামাল উদ্দিন আহমেদের অফিসের দরজায় তালা।

মো. নেজাম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে জরুরী প্রয়োজেন দেখা করতে যান। কিন্তু অফিসে তালা ঝুলছে ফিরে যাচ্ছিলেন।

ওই সময় দেবাশীষ দে নামের একজনের সঙ্গে তার দেখা হয়। তিনি ওই অফিসের এমএলএসএস পরিচয় দিয়ে মো. নেজাম উদ্দিনকে বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল আহসান স্যার ঢাকা একটি মিটিংয়ে গেছেন।

দেখা করে তথ্য নেয়ার মতো অন্য কেউ আছেন কিনা জানতে চাইলে দেবাশীষ দে উত্তর দেন, জামাল স্যার অফিসে এসেছিলেন। আবার কুরিয়ার অফিসে গেছেন। কখন ফিরবেন জানি না।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো.কামরুল আহসানের সরকারী নাম্বারে কল দিলে পাওয়া যায় নি।

উপসহকারী প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন আহমেদ মুঠোফোনে বলেন, আজকে কেউ অফিসে নাই। মিটিং আছে। তাই সবাই চট্রগ্রাম। আমি নিজেও চট্রগ্রাম আছি।

নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল আহসান ছুটিতে থাকায় তার অবর্তমানে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। নির্বাহী প্রকৌশলী স্যার আগামী মঙ্গলবার অফিসে আসবেন। তখন দেখা করতে পারবেন।

অফিসে ইঞ্জিনিয়ার ও কম্পিউটার অপারেটর আছেন, জানান উপসহকারী প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন। তারাও নেই কেন জানতে চাইলে বলেন, হয়তো দুপুরের খাবার খেতে গেছেন। এগারটা তিরিশ মিনিটে দুপুরের খাবার খেতে যাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে মুঠোফোনের ওপার থেকে কোন সদুত্তর মেলে নি।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কক্সবাজার অফিসের অধিকাংশ কর্মকর্তা সাইটে কাজের অজুহাতে নিয়মিত অফিস করেন না। যে কারণে সেবা নিতে গিয়ে অনেককেই ফেরত যেতে হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন