যুবলীগ চেয়ারম্যানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সীমান্তে সতর্কতা

72381138_1450817775069431_8669608249680461824_n-1.jpg

ডেস্ক নিউজ

জুয়া-চাঁদাবাজির অভিযোগে নানা নাটকীয়তার পর গ্রেফতার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের পর এবার নজর আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর দিকে।

সম্রাটের এই গুরুর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ভারতে পলায়ন ঠেকাতে বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রবিবার (৬ অক্টোবর) রাতে তিনি বলেন, ‘পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ থেকে তাদের কাছে মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও নেপালের নাগরিকরা যাতে কোনোভাবেই দেশ ত্যাগ করতে না পারেন সে জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’

প্রতিদিন নতুন নতুন নামের তালিকা তাদের কাছে আসছে বলেও জানান ওসি।

তিনি জানান, বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের নাম, ঠিকানা যাচাই ও পাসপোর্টের সঙ্গে তাদের ছবি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। জাল পাসপোর্ট যাতে ব্যবহার করতে না পারেন সে জন্য যাত্রীদের হাতের ছাপ ও ছবি তুলে রাখা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) ক্ষমতসানী আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট।

রাজধানীতে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় জুয়া ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। অভিযানের সময় যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাটসহ বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতার নাম উঠে আসে।

এনিয়ে ক্ষিপ্ত যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতারের পর তিনি বলেন, ‘ ‘খালেদকে গ্রেফতারে দল ও যুবলীগকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র কি না? যুবলীগের ইতিবাচক ইমেইজ নষ্ট করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।’ যদিও পরে তিনি তার অব্স্থান থেকে সরে আসে।

কিন্তু বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে— বিড়ি শ্রমিক ও এরশাদের জাতীয় পার্টির যুব সংগঠন থেকে যেভাবে যুবলীগ চেয়ারম্যান হয়েছেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান হওয়ার আগে ঋণখেলাপি হিসেবে তার সম্পদ নিলামে উঠে আসার মতো অবস্থা ছিল, কিন্তু এখন তিনি ধনাঢ্য জীবন যাপন করছেন। হঠাৎ ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে বিত্তবৈভবের মালিক হওয়া ৭১ বছর বয়সী ওমর ফারুক চৌধুরীকের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top