‘‘খুরুশ্কুলকে ‘স্মার্ট সিটি’ বানানো হবে‘‘

Presentation1-2.jpg

পর্যটন শহর কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন শহর হিসেব গড়ে তুলতে আধুনিক মাস্টার প্লানের আওতায় এনে খুরুশ্কুলকে ‘স্মার্ট সিটি’ বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ। তিনি বলেন, কক্সবাজারের সামগ্রিক সম্ভাবনাকে আরো প্রসারিত করে খুরুশ্কুলকে পরিকল্পিত ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়া তোলা হবে। কক্সবাজার শহর ও খুরুশ্কুলকে একীভূত করে সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য বাঁকখালী নদীকে সাজানো হবে হাতিরঝিলে আদলে।

রবিবার (৬ অক্টোবর) কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় কউক চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ এসব কথা বলেন।

কউক চেয়ারম্যান আরো বলেন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ধীরে ধীরে অবস্থান শক্ত করছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই কউক কক্সবাজারে প্রত্যাশিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। বাস্তবায়িত প্রকল্পের মধ্যে শহরের সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য চারটি ভাস্কর্য নির্মাণ, কক্সবাজার শহর ও মেরিনড্রাইভ সড়কে লাইটিং এবং চলমান গোলদিঘি, লালদিঘি ও বাজারঘাটা পুকুরের ৩৬ কোটি টাকায় পর্যটনের উপযোগী করে অবকাটামো উন্নয়ন। একই সাথে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শুরু হবে ৪৫ ফুট প্রস্ত হবে এই সড়ক। ১০ তলা বিশিষ্ট নিজস্ব ভবনও নির্মাণও কউকের বড় সাফল্য। কেননা এত অল্প সময়ে এতো বড় মাপের নিজস্ব ভবন পেতে অনেক সময়ের দরকার। কিন্তু আমরা তা প্রত্যাশার অনেক আগেই পেয়ে গেছি। এটাকেও বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে হবে।
কক্সবাজার উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেন, কক্সবাজার শহরের রক্ষাবেক্ষণ পুরোপুরি হচ্ছে না। অনেক কিছু শুধুই কাগজে-কলমে বন্দি রয়েছে। যার যার কাজ তাকে করতে হবে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আপনারা না করলে আমরা সেই কাজে হাত দেবো। সরকারকে বলে আমরা কাজ নিবো। এখনো বর্জ্যে ভরে থাকে শহর। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে কউক। ‘বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন, উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ কক্সবাজারের বর্তমান জীর্ণ চিত্রকে পাল্টে দিতে বদ্ধপরিকর। এই জন্য নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগুনো হচ্ছে। আমাদের নিকট পরিকল্পনায় রয়েছে, আবাসন সুবিধা তৈরি করতে আবাসন প্রকল্প ও ফ্ল্যাট প্রকল্প নেয়া হবে। আবাসন প্রকল্পে সকল স্তরের মানুষের আবাসন ব্যবস্থা এবং ফ্ল্যাট প্রকল্পে স্বল্পমূল্যে ফ্ল্যাট বিক্রি করা হবে।

গতকাল ৬ অক্টোবর বিশ্ব আবাসন দিবস উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে ওই মতবিনিময় সভায় কউক শীর্ষ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত
কক্সবাজারের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন
Top