হাসিনার নেতৃত্বে জাতি উন্নত বাংলাদেশ পাবে

A-News-Picture.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কক্সবাজার জেলা শাখা দিনব্যাপী কর্মসূচী গ্রহণ করে।

কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৮টা হতে দলীয় কার্যালয়ে জাতির জনকের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচার, সকাল ১০টায় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয় এবং বিকাল ৩টায় শহীদ দৌলত ময়দানে সমাবেশ ও আলোচনা সভা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার সভাপেিত্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, এড. আমজাদ হোসেন, এড: বদিউল আলম সিকদার, রেজাউল করিম, মাহবুব হক মুকুল, এড: ইসহাক, এড. ফরিদুল আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ইঞ্জিনিয়ার বদিউল আলম, এড: তাপস রক্ষিত, হেলাল উদ্দিন কবির, এড: সুলতানুল আলম, আবু তাহের আজাদ, এ.টি.এম জিয়া উদ্দিন জিয়া, জি.এম.কাশেম, ড. নুরুল আবছার, নজিবুল ইসলাম, উজ্জ্বল কর, সোহেল আহমদ বাহাদুর, জহিরুল ইসলাম সিকদার, কায়সারুল হক জুয়েল, হামিদা তাহের, মোর্শেদ হোসাইন তানিম, ডাঃ পরিমল কান্তি দাশ, রফিক মাহমুদ, ওয়াহিদুর রহমান রুবেল, ইসমাইল সাজ্জাদ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ৭১ এর ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর পূর্বে তিনি জাতীয় নেতাদের ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পার্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ৭ই মার্চের ভাষণে তিনি স্বাধীনতার জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশা দেন। তাকে গ্রেপ্তার করার পর নিরস্ত্র বাঙালী জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জিত হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বিহীন স্বাধীনতা অপূর্ণ থেকে যায়। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পূণঃ গঠনের কাজ শুরু হলে বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র শুরু করে। ৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে খুনি মোস্তাক, জিয়া গং দেশের অগ্রগতি থামিয়ে দেয় এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের রক্ষা করতে ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। ষড়যন্ত্র করে দীর্ঘ ২১ বছর আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বাহিরে রাখে। নেতৃবৃন্দ বলেন, ৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে জাতিকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা প্রদান করে। দূর্নীতি, সন্ত্রাস, লুটপাঠের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ২০০১ সালে আবারো ষড়যন্ত্রকারী ষড়যন্ত্র করে বি.এন.পি জামায়াতকে ক্ষমতায় আনে এবং পুনরায় হত্যা, দূর্নীতি, লুটপাট শুরু করে। ২০০৮ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্টতা নিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে জাতিকে একটি সমৃদ্ধ, দূর্নীতিমুক্ত দেশ উপহার দেয়। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বাংলাদেশ স্বীকৃতি লাভ করে।

নেতৃবৃন্দ বলেন-২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাংলার জনগণের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট লাভ করছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাঙালী জাতি উন্নত বাংলাদেশ পাবে। নেতৃবৃন্দ সকল নেতাকর্মীকে যে কোন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

সভা পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম.এ. মনজুর।

উপস্থিত ছিলেন-পৌর আওয়ামীলীগের আসিফুল মওলা, নাজমুল হোসাইন নাজিম, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, শুভ দত্ত বড়–য়া, এ.বি ছিদ্দিক খোকন, মিজানুর রহমান, যুব নেতা শাহেদ মোঃ ইমরান, আসাদ উল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এড. একরামুল হুদা, আবদুর রহমান, মোনাফ সিকদার, কুতুব উদ্দিন, ছাত্রনেতা হাসান ইকবাল রিপন, জাহেদ সিকদার রুবেল, আতিক উল্লাহ কোম্পানী, আহমদ উল্লাহ, তাজ উদ্দিন, জানে আলম পুতু, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, হাবিব উল্লাহ, জাফর আলম, সেলিম ওয়াজেদ, নুরুল আমিন, দেলোয়ার হোসেন জান্নু, বজল আহমদ, দুলাল দাশ, খোরশেদ আলম, জাফর আলম, মোঃ ইলিয়াছ, আবদুল মজিদ সুমন, নুর মোহাম্মদ, বাহার উল্লাহ, মোঃ নাছিম প্রমূখ।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন