রোহিঙ্গা সমাবেশে হুমকি ‘দেখছেন না’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

-সমাবেশে-হুমকি-‘দেখছেন-না’-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী.jpg


বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “হুমকির কোনো কারণই নেই, তারা এখানে আশ্রিত। ১১ লাখের মতো রোহিঙ্গা এখানে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমি মনে করি না এটা কোনো হুমকি।”

মিয়ানমার থেকে বিতাড়ণের দুই বছর পূর্তিতে গত রোববার শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গারা বিশাল সমাবেশ করে তাদের নানা দাবি তুলে ধরে। তারা জানায়, নাগরিকত্বের স্বীকৃতি ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ছাড়া তারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে না।

শরণার্থীদের ওই সমাবেশ ওই এলাকায় সংখ্যালঘু হয়ে ওঠা বাংলাদেশিদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করেছিল। তার কয়েকদিন আগে যুবলীগের স্থানীয় এক নেতাও রোহিঙ্গাদের হামলায় নিহত হন।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়নের দুই বছর পূর্তিতে রোববার কক্সবাজারে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে সমাবেশ করে রোহিঙ্গারা। ছবি: কেএম আসাদ

সমাবেশের পরদিন অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টায় আটক করা হয় মিয়ানমারের চার নাগরিককে। তারা হলেন লি উইন কো ম্যায়েং (৩০), ইয়ানাং তুন (৩১), প্যায়াং গি (২৫) ও ক্য ক্য (২৮)।

তারা মিয়ানমারের গোয়েন্দা সংস্থার কেউ হতে পারে কি না- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এরকম ঘটনা সব সময়ই ঘটে থাকে, কেউ ভুলবশত সীমানা ক্রসও করে ফেলে, কিংবা কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকে যায়, এগুলো তদন্তের পর বলব, এর আগে বলা যাবে না।”

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

দুই দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় বিআইডব্লিউটিসির এক নারী কর্মকর্তার পা হারানোর ঘটনায় দোষিদের গ্রেপ্তারের অগ্রগতি নিয়ে তিনি বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনা তো ঘটছে। এটা যারা দোষি, তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা সবসময়ই হচ্ছে।

“আমাদের পুলিশ কী করছে সেটা দেখার ব্যাপার। পুলিশ কি আসামিদের ধরে আইনের কাছে সোপর্দ করেছে কি না? এই জায়গাটিতে আমাদের সেই প্রচেষ্টা রয়েছে।”

শোক দিবেসের আলোচনা সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকে শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন গভর্নর ফজলে কবির এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

আপনার মন্তব্য লিখুন