রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী প্রচারণা

FB_IMG_1567276607089.jpg

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ 

সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও ইয়াবা ব্যবসা থেকে রোহিঙ্গাদের বিরত রাখতে টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে প্রচারণা শুরু করেছে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ। শনিবার ৩১ আগস্ট শনিবার দুপুর থেকে টেকনাফের নয়াপড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই প্রচারণা শুরু করা হয়। টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ কার্যক্রম শুরু করেন। এতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান, মাঝি, ইমাম, শিক্ষক ও বাসিন্দারা অংশ নেন। এছাড়া রবিবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে টেকনাফ উপজেলা জুড়ে খুচরা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের আটক অভিযান শুরু হবে। চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী প্রচারণা চলাকালে পথসভায় টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অভিযান পরিচালনার পর থেকে স্থানীয়দের ইয়াবা ব্যবসা অনেকটা কমে গেছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা ইয়াবা পাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। রোহিঙ্গাদের মাদক থেকে দূরে রাখতে ক্যাম্পে ক্যাম্পে সন্ত্রাস, অপহরণ ও মাদকবিরোধী সভা পরিচালনা করছে সরকার। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মাদক ব্যবসা, সেবন, চোরাচালন ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ রোধে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের যে স্থানীয়রা আশ্রয় দিয়েছে তাদের সঙ্গে সুসর্ম্পক বজার রাখতে বলা হয়েছে। অপকর্মের সঙ্গে জড়িত রোহিঙ্গাদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। কোন অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবেনা। সময় থাকতে ভালো হয়ে যান, নাহলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। সরকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা মেনে নেবেনা। যে কোন মুল্যে রোহিঙ্গা শিবিরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হবে এবং যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দ্রæত বিচারের আওতায় আনা হবে’।
তিনি আরও বলেন, ‘ইয়াবা ব্যবসার স্বর্গরাজ্য বলে পরিচিত টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে রবিবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার পর্যন্ত ‘মাদকসেবি ও ক্ষুদ্র মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার সপ্তাহ’ ঘোষণা করা হয়েছে। মাদক বিরোধী চলমান সাঁড়াশি অভিযানের পাশাপাশি ঘোষিত সপ্তাহে মাদকসেবি ও ক্ষুদ্র ও খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করতে এ বিশেষ অভিযান চলবে’।

আপনার মন্তব্য লিখুন