মানবাধিকার নেত্রীদের সমালোচনায় আসিফ নজরুল

Screenshot_2018-10-24-01-20-56-099_com.facebook.katana.jpg

দিসিএম ডেস্ক

নারী সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেত্রীদের সমালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘কোটা আন্দোলনের সময় রাজপথে নারী দৈহিকভাবে লাঞ্ছিত হলে, সড়ক আন্দোলনের সময় স্কুলের মেয়েদের গায়ে হাত তুললে বা সরকারি দলের নেতারা নারীদের চরম আপত্তিকর কথা বললে উনারা প্রতিবাদ করেন না। অনেক সময় হাতে পায়ে ধরে কোন বিবৃতিতেও তাদের স্বাক্ষর পাওয়া যায় না।’

তিনি বলেন, ‘অথচ শুধু এই একটা বিষয়ে উনারা এমন সরব হয়ে উঠলেন কেন? ব্যারিষ্টার মঈনুল অন্য পক্ষের বলে? তিনি ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত আছেন বলে?’

শনিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এক স্ট্যাটাস এসব কথা বলেন ড. আসিফ নজরুল।

পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ব্যারিষ্টার মঈনুল হোসেন এখন বলছেন তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চরিত্রহীনতার কথা বলেছেন। কিন্তু উনার এ বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ আমরা শুধু চরিত্রহীন বললে এর অন্য অর্থটা বুঝি সাধারণত।

মানবাধিকার নেত্রীদের সমালোচনা করে যা বললেন আসিফ নজরুল

তার বিরুদ্ধে নারী (এবং পুরুষ) সাংবাদিকরা বক্তব্য দিয়েছেন, সভা করেছেন ঠিক আছে। এর দরকারও ছিল। কিন্তু আমি অবাক হয়েছি সেখানে সমাজের কিছু রথী মহারথীর নাম দেখে। কোটা আন্দোলনের সময় রাজপথে নারী দৈহিকভাবে লাঞ্ছিত হলে, সড়ক আন্দোলনের সময় স্কুলের মেয়েদের গায়ে হাত তুললে, বা সরকারি দলের নেতারা নারীদের চরম আপত্তিকর কথা বললে উনারা প্রতিবাদ করেন না। অনেক সময় হাতে পায়ে ধরে কোন বিবৃতিতেও তাদের স্বাক্ষর পাওয়া যায় না। অথচ শুধু এই একটা বিষয়ে উনারা এমন সরব হয়ে উঠলেন কেন? ব্যারিষ্টার মঈনুল অন্য পক্ষের বলে? তিনি ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত আছেন বলে?

অথচ মানবাধিকার নেত্রী বা জাতির বিবেক হতে হলে শুধু কতিপয় মানুষের অধিকার রক্ষার্থে নয়, সবধরনের ভিকটিমের পক্ষে কথা বলতে হয়। এটা কি তারা বোঝেন না? বোঝেন। কিন্তু পাত্তা দেন না কারণ এজন্য কোনদিন তাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় না। বরং নির্বাচিত বিষয়ে কথা বলে উনারা জীবনে যা কিছু অর্জন করেছেন সেটা সবচেয়ে মূল্যবান তাদের কাছে।

সাধারণ মানুষ কি ভাবলো পাত্তা দেন না এরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন