ভারসাম্যপূর্ণ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে ইসলামী ব্যাংক

received_1987808251511044-768x432.jpeg

সংবাদদাতাঃ
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড শুরু থেকে জনবান্ধব, বিনিয়োগ ও পরিবেশবান্ধব। ভারসাম্যপূর্ণ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে ইসলামী ব্যাংক। এ কারণে বারবার সেরা করদাতা স্বীকৃতি পেয়েছে এই ব্যাংকটি।
১৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সরকারী কলেজে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ উপলক্ষে সভায় অধ্যক্ষ প্রফেসর একেএম ফজলুল করিম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রফেসর ফজলুল করিম বলেন, আগে ব্যাংকগুলো শুধু টাকা লেনদেন করত। সমাজসেবা, পরিবেশ রক্ষা ও আর্তমানবতার সেবায় ইসলামী ব্যাংকই প্রথম চালু করে ব্যতিক্রম ধারা।
পাহাড়কাটা ও অপ্রয়োজনীয় গাছ কাটার কারণে আমাদের সমাজ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে। ইসলামী ব্যাংক বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর মাধ্যমে সমাজে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
‘সবুজে বাঁচি সবুজ বাঁচাই, নগর-প্রাণ-জীবন সাজাই’ প্রতিপাদ্যে ২০১৮ সালের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংটি।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ইসলামী ব্যাংক কক্সবাজার শাখার সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট এনায়েত উল্লাহ ছিদ্দিকী বলেন, সারদেশে ইসলামী ব্যাংকের ৩৩৯ শাখা ১১৯ টি এজেন্ট শাখা, ১৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ১০ লাখ বিনিয়োগ গ্রাহক একটি উন্নত, ভারসাম্যপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সারদেশে ইসলামী ব্যাংকের এক কোটি ২৫ লাখ গ্রাহক তার প্রমাণ।
যার ফলশ্রুতিতে বিশ্বের একহাজার ব্যংকের অন্যতম ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ইসলামী ব্যাংক।
দেশের ৮০ ভাগ গ্রামীন জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের আওতায় আনতে ইসলামী ব্যাংক চালু করে পল্লী উন্নন প্রকল্প। ইতোমধ্যে গ্রামীন জনপদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী এ পল্লী উন্নন প্রকল্পের আওতায় এসে উপকৃত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা মত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ৩০ লাখ গাছ লাগানোর কর্মসুচী বাস্তবায়নে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ সারাদেশে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার সরকারী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর পার্থ সারথি সোম, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যন শহিদুল আলম বাহাদুর ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক কাদেরী।
অনুষ্ঠানে কক্সবাজার সদরের বিভিন্ন এলাকার চারশতাধিক নারী পুরুষের মাঝে ৪ হাজার ফলদ, বনজ, ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
শেষে কলেজ ক্যম্পাসে নারিকেল গাছসহ কয়েক জাতের চারা রোপনের মাধ্যমে ব্যংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন