ভারতকে ২২৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

FB_IMG_1538147414587.jpg

দিসিএম স্পোর্টস 

* লিটন দাস ১১৭ বলে করেছেন ১২১ রান। ১২টি চার ও ২টি ছক্কা মেরেছেন। বাংলাদেশের আট ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক ছুঁতে ব্যর্থ। দুজন খেলেছেন ত্রিশের ইনিংস। মেহেদী মিরাজ ৩২, সৌম্য সরকার ৩৩।

* বিনা উইকেটে ১২০, বাকি ১০২ রান যোগ করতে ১০ উইকেট নেই!

* ওপেন করতে নেমে ৫৯ বলে ৩২ করে কেদার যাবদকে উইকেট দিয়েছেন মিরাজ। মিরাজ ক্যারিয়ারে প্রথম ওপেন করতে নামলেন। ওপেনিংয়ে ১২০ রানের জুটি, ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।

* দারুণ শুরুর পর বাংলাদেশের ইনিংসে ধস। ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মিরাজ ছাড়াও ফিরেছেন ইমরুল (২), মুশফিক (৫), মিঠুন (২) ও মাহমুদউল্লাহ (৪)। এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ।

* দুটি উইকেট কেদার যাদবের। তিনি বোলিংয়ে আসার পরই ম্যাচে ফেরে ভারত। ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে লিটন দাসের ফিরে আসা লড়াই করার মতো পুঁজির সম্ভাবনা নষ্ট করে দেয়। লিটনের আউটটি নিয়ে অবশ্য এরই মধ্যে বিতর্কের ঝড় তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশের সমর্থকেরা। ৪৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সফলতম অবশ্য কুলদীপ যাদব।

* ৩৩ বলে ফিফটি ছুঁয়েছিলেন লিটন। ৫২ রানে তাঁর ক্যাচ ফেলেছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিকেই সেঞ্চুরিতে নিয়ে যাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি। টুর্নামেন্ট ফাইনালে সেঞ্চুুরি করা প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানও লিটন।

thumbচমকে দিয়ে লিটনের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছেন মিরাজ। ছবি: এএফপি

* ১১ ইনিংস পর উদ্বোধনী জুটিতে ৫০ পেরোল বাংলাদেশ। ২৬ ইনিংস পর পেরোল ১০০। সর্বশেষ ২০১৬ সালে শতরানের উদ্বোধনী জুটি হয়েছিল। বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে ১৬তম শতরানের জুটি।

* এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি। ২০১৪ এশিয়া কাপে এনামুল হক ও ইমরুল কায়েসের জুটি তুলেছিল ১৫০ রান।

* দলে একটি পরিবর্তন। মুমিনুল হকের জায়গায় ফিরেছেন বাঁ হাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম।

* ভারতের বিপক্ষে এর আগে দুবার কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই হেরেছে বাংলাদেশ। এই এশিয়া কাপেই গত টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতের কাছে হেরেছিল মাশরাফির দল।

thumb

বাংলাদেশ দল: লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

আপনার মন্তব্য লিখুন