বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

-প্রতিকৃতিতে-কক্সবাজার-জেলা-ছাত্রলীগের-শ্রদ্ধা-নিবেদন.jpeg

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।
১৫ আগস্ট সকালে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মোরশেদ হোসাইন তানিম এবং ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাদের উপস্থিতিতে এই ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম.এ মঞ্জুর, যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রউফ নেওয়াজ ভুট্টু, যুগ্ম সম্পাদক নারিমা জাহান, শহর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান ইকবাল রিপন, প্রচার সম্পাদক আলিফউজ্জামান শুভ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মঈন উদ্দিন, আপ্যায়ন সম্পাদক কাইছার চৌধুরী রুবেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মীর আশরাফ বাপ্পী, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাহেদুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ওমর ফারুক, ইমরুল কাদের, রাহাত উদ্দিন বাপ্পি, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্, নাছিফ ইকবাল,জামশেদ উদ্দিন, কাদেরী প্রমুখ।
১৯৭৫ সালের এইদিন অতিপ্রত্যুষে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা। সেনাবাহিনীর কিছু উচ্ছৃঙ্খল ও বিপথগামী সৈনিকের হাতে সপরিবারে প্রাণ দিয়েছিলেন বাঙালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই নৃশংস হামলার ঘটনায় আরো যারা প্রাণ হারিয়েছিলেন তারা হলেন : বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। আগস্ট মাসটি তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে শোকের মাসে পরিণত হয়েছে। ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাসভবনে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হলেও সেদিন আল্লাহর অসীম কৃপায় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। সে সময় স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে জার্মানিতে সন্তানসহ অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ রেহানাও ছিলেন বড় বোনের সঙ্গে। বাংলাদেশ ও বাঙালির সবচেয়ে হদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী শোকের দিন আজ। প্রতিবছর ১৫ আগস্ট আসে বাঙালির হূদয়ে শোক আর কষ্টের দীর্ঘশ্বাস হয়ে। বাঙালি জাতি আজ গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে আজ পালিত হয়েছে জাতির পিতার শাহাদাতবার্ষিকী।

আপনার মন্তব্য লিখুন