নির্বাচন নির্বাসনে

Presentation1-80.jpg

-মাহ্ফুজুল হক

৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখ অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানে বাংলাদেশের পার্লামেন্ট নির্বাচন। অর্থাৎ এই নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশের পার্লামেন্ট গঠিত হয়। বর্তমান গণতান্ত্রিক বিশ্বে রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতি দু’টি -সংসদীয় পদ্ধতির গণতন্ত্র (পার্লামেন্টারি ফরম অব ডেমোক্রেসি) এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত গণতন্ত্র (প্রেসিডেন্শিয়াল ফরম অব ডেমোক্রেসি)। এছাড়াও আছে রাজা-বাদশাহ্-আমীর-খলিফা, স্বৈর শাসক, সামরিক শাসক ইত্যাদি জবরদস্তি শাসন ব্যবস্থা। বলা হয়ে থাকে, বর্তমানে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা চালু আছে।
সংসদীয় পদ্ধতিতে দেশের আকার ও জনসংখ্যাকে বিবেচনায় নিয়ে পুরো দেশকে অনেকগুলো সংসদীয় এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) ভাগ করা হয়। প্রতিটি ভাগ থেকে একজন করে সংসদ সদস্য ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছে ৩০০টি সংসদীয় আসন যেগুলোতে ভোটারগন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকেন। দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল বিদ্যমান থাকে (নিবন্ধিত) যারা সাধারণত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের দলীয় ব্যক্তিকে প্রার্থী করার মাধ্যমে। এভাবে বিভিন্ন দল তাদের প্রার্থীকে ওই আসনগুলোতে মনোনয়ন দিয়ে থাকে বিজয়ী হওয়ার উদ্দেশ্যে। দলের পরিসর ও কর্মী-সমর্থক সংখ্যা বিবেচনায় কোন কোন দল দেশের সবক’টি আসনে প্রার্থী দাঁড় করায়, আবার কোন কোনটি কম সংখ্যক আসনে প্রার্থী দেয়। নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করার লক্ষ্যে আবার বেশ কয়েকটি দল জোটবদ্ধ হয়ে সব আসন বা অনেকগুলো আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকে। নির্বাচনে যে দল বা জোট বেশিরভাগ আসনে বিজয়ী হয়, তারাই পরবর্তী ৫ বছর দেশ শাসন করার ম্যান্ডেট পায় এবং সরকার গঠন করে। সংসদীয় ব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে নির্বাচিত দলের বা জোটের নির্বাচিত সদস্যগন বসে তাদের দলের নেতা নির্বাচন করেন। ওই নেতা বা দলীয় প্রধানকেই রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করান। তিনি প্রয়োজনীয় সংখ্যক মন্ত্রী, উপদেষ্টা ইত্যাদি নিয়োজিত করে পরবর্তী ৫ বছর দেশ শাসন করেন।
৩০০ সংসদীয় আসনে দেশের ভোটাধিকার প্রাপ্ত জনগন কর্তৃক প্রদত্ত ভোটের বলে বলীয়ান ব্যক্তিগনই দেশ শাসন করার অধিকার পান। এক্ষেত্রে দেশের জনগনই সরকার গঠনের কারিগর। তাদের অধিকাংশের ভোট যে ব্যক্তি প্রাপ্ত হন তিনিই সংসদ সদস্য হন। আর তাঁর মতো কমপক্ষে ১৫১জন মিলে যাকে নেতা বা নেত্রী নির্বাচিত করেন তাঁর নেতৃত্বেই দেশের সরকার গঠিত হয়। হয়ত এজন্যই বলা হয়, ‘জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস’। কিন্তু আসলেই কি তাই? এ ব্যাপারে পরে এক সময় আলোচনা করা যাবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১০৩,৮২৬,৮২৩ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ৫২,৩৭১,৬২০ জন এবং মহিলা ৫১,৪৫৫,২০৩ জন। ‘একাদশ সংসদ নর্বিাচনে গড়ে ৮০ শতাংশ ভোট পড়ছেে বলে জানয়িছেনে প্রধান নর্বিাচন কমশিনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।’ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, এবারের নির্বাচনে ৮ কোটি ৩০ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৫৮ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে কত টাকা খরচ হয়েছে ? স্বয়ং নির্বাচন নির্বাচন কমিশন বলছে, Election Commission has allocated Tk 7 billion for the 11th parliamentary election. Two-thirds of the money will be spent on security.
‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ -কথাটি নির্বাচন এলে খুব করে কানে বাজে। এই কথাটির অর্থ কি ? এর সরল বাংলা তরজমা করলে দাঁড়ায়, খেলার জন্য সমতল মাঠ। অর্থাৎ যে মাঠে খেলা হবে তা সর্বত্র সমতল। কোথাও উঁচু নিচু নাই, একেবারে সমান। তার মানে, যে মাঠে (দেশে) নির্বাচন নামক খেলা অনুষ্ঠিত হবে তা হতে হবে সব দলের বা প্রার্থীর জন্য সমান বা সমতল। নির্বাচন কমিশন সব দল বা প্রার্থীর জন্য সর্বত্র সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। প্রধান নর্বিাচন কমশিনার এক কথার মানুষ। শুরু থকেইে যা বলে এসছেলিনে ‘সমান সুযোগ তরৈি হয়েছে’ নর্বিাচনরে পর বলছেনে, ‘বচ্ছিন্নি ঘটনা ছাড়া নর্বিাচন সুষ্ঠু হয়েছে’। একজন নর্বিাচন কমশিনার (মাহবুব তালুকদার) সাদা চোখে দখেে তার মত প্রকাশ করছেনে। প্রধান নর্বিাচন কমশিনার বলছেলিনে, ‘এই বক্তব্য অসত্য’।
আওয়ামী লীগরে নির্মম রাজনতৈকি দমন-পীড়ন নর্বিাচনে লভেলে প্লেয়িং ফল্ডিরে ধারণাকে হাস্যকর বিষয়ে পরণিত করেছে। -সিএনএন। ‘ভোটের দিনে সহিংসতা এবং প্রচার-প্রচারণায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকা বিশেষত পুরো প্রক্রয়িায় উল্লেখযোগ্য বাধা ভোট এবং প্রচারণাকে দূষতি করেছে।’ -ইইউ। ‘নির্বাচনরে পুরো প্রক্রিয়া সব দলরে জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ধরনরে বাধা ছলি।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ভোট নিয়ে তিনি তৃপ্ত, সন্তুষ্ট। ভোটে কোনো অনিয়ম হয়নি। ভোটে তারা লজ্জিত নন। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে র্গববোধ করা যায়: ইসি সচবি। রোববার অনুষ্ঠতি হয়ে যাওয়া নির্বাচনে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ২৯৯ আসনরে মধ্যে বএিনপি জোট মাত্র সাতটিতে জয় পায়। অন্য দিকে আওয়ামী লীগ নতেৃত্বাধীন জোট পায় ২৮৯ আসন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র র্প্রাথী হিসেবে যে তিন জন নির্বাচতি হন তারাও ক্ষমতাসীন জোটরেই।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনরে প্রক্রিয়া নেয়ে গুরুতর  অভিযোগ তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদশে ( টিআইব) ৷ তারা ৫০টি আসন নিয়ে গবেষনা করে ৩৩টিতে ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল দেয়ার অভিযোগ পেয়েছে বলে দাবি করেছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদশে (টআিইব) একাদশ জাতীয় সংসদ  নির্বাচনরে পর ২৯৯টি আসনরে মধ্যে ৫০টি আসন নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে৷ দবৈ চয়নরে ভিত্তিতে ওই ৫০টি আসন বাছাই করে তারা৷ ‘একাদশ সংসদ নির্বাচন প্রক্রয়িা’ র্শীষক  গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলে টআিইবি বলছে, ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৭ টিতেই নির্বাচন প্রক্রিয়া কোনো- না-কোনো ধরনের অনয়িম পাওয়া গছে। এর মধ্যে গুরুতর অনিয়ম গুলো হলাে :

১. ভোটের আগের রাতে ৩৩টি আসনে ব্যালট পেপারে সিল মারা
২. জাল ভোট ৪১টি আসনে
৩. ভোট শুরুর আগেই ব্যালটবাক্স ভরে রাখা হয়েছে ২০টি আসনে
৪. বুথ দখল করে প্রকাশ্যে সিল ৩০টি আসনে
৫. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নীরব ভূমিকা ৪২ আসনে
৬. ভোটারদের হুমকি দিয়ে তাড়ানো বা ভোটদানে বাধা ২১ টি আসনে
৭. নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে ২৬টি আসনে
৮. ব্যালট পেপার আগেই শেষ হয়ে যায় ২২টি আসনে
৯. প্রতিপক্ষের পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে দেয়া হয়নি ২৯টি আসনে৷

টআিইবি ২৯৯ আসনরে মধ্যে দবৈচয়নরে ভত্তিতিে ৫০টি আসনে গবষেণার যে তথ্য দয়িছে, তাতে গড়ে ৯৪ শতাংশ আসনে নর্বিাচনি অনয়িম হয়েছে৷ জাল ভোট পড়ছেে ৮২ শতাংশ আসনে৷ নর্বিাচনরে আগরে রাতে ব্যালট বাক্সে সলি মারা হয়ছেে ৬৬ শতাংশ আসনে৷

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন‘ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা| তিনি বলেন, আমরা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি| কারণ, ভোটের দিন গণমাধ্যম, নির্বাচনী কর্মকর্তা, নির্বাহী-বিচারিক হাকিম ও আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কারও কাছ থেকে অনিয়মের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি|

টিআইবি’র এই গবেষণায় যে ফল পাওয়া গেছে, তার প্রেক্ষিতে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ডয়চে ভেলেকে বলেন, “টিআইবি’র এই প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া’ বা ‘পূর্ব নির্ধারিত’ না বলে নির্বাচন কমিশনের এখন উচিত হবে এই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তদন্ত করা৷ তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া৷ এ নিয়ে আগে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের উদাহরণ আছে৷ একটা বিখ্যাত মামলা আছে৷ নূর হোসেন বনাম নজরুল ইসলাম৷ এই মামলায় সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ সুস্পষ্ট রায় দিয়েছে যে, যদি কোনো নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ বা প্রশ্ন ওঠে, তাহলে নির্বাচন কমিশন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে৷ তাদের নির্বাচন বাতিল করারও ক্ষমতা আছে৷” তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, “যে অভিযোগ উঠেছে, তাতে মানুষের ভোটাধিকারই প্রশ্নবিদ্ধ৷ তাই নির্বাচন কমিশনকে সবার আগে তদন্তের উদ্যোগ নিতে হবে৷ তারপর অন্য ব্যবস্থা৷”

সুস্পষ্টভাবইে বাংলাদশেরে নর্বিাচন ‘যথাযথ’ ছলি না -জাতসিংঘ মহাসচবি অ্যান্তোনিও গুতরোঁ।

ড. আসিফ নজরুল তার ফেসবুক পেইজে লিখেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছেন, ভোট নিয়ে তিনি তৃপ্ত-সন্তুষ্ট| ভোটে নাকি কোনো অনিয়ম হয়নি| অবাক হয়ে ভাবি, এ লোকটা কি দিয়ে তৈরি?

ড. কামাল হোসেন বলেন, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নামে যেপ্রহসনমূলক নাটক মঞ্চস্থ হলো, তা সমগ্র দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন এবং হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছেন| একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে কিভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, তা এ দেশের মানুষসহ সমগ্র বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তাদের আজ্ঞাবহ প্রধান নির্বাচন কমিশনার| এই কথিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় সরকারকে বিজয়ী দেখালেও প্রকারান্তরে হেরেছে বাংলাদেশ ও তার ১৭ কোটি মানুষ| এর মধ্য দিয়ে কবর রচিত হয়েছে আমাদের বহু আকাংখিত গণতন্ত্রের| ভারতীয় লেখক ও সাংবাদিক চন্দন নন্দীর একটি স্ট্যাটাস অনেক উদ্ধৃত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। চন্দন নন্দীর ইংরেজিতে দেয়া একটি স্ট্যাটাসরে স্কিন শট দিয়ে মুজতবা খন্দকারের দেয়া স্ট্যাটাসে অনেকে লিখেন- বাংলাদেশের নর্বিাচন পর্যবেক্ষণকারী ভারতের একজন খ্যাতনামা সাংবাদিকের মন্তব্য, ‘আওয়ামী লীগরে ভোট জালিয়াতি ব্যবস্থা এতটাই সফল যে ঢাকায় ভারতীয় গোয়ন্দো সংস্থা ‘র‘-এর  স্টেশন  চিফ  শীশ ভূষণ সিং র্পযন্ত স্তব্দ হয়ে গেছেন, যদিও ওই ম্যাকানিজমরে অংশ  ছিলেন তিনিও।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলনে, ‘আওয়ামী লীগ তো গৌণ। মূল কাজ করেছে পুলশি আর র‌্যাব।’ তিনি বলনে, ‘এই নির্বাচনের সবচেয়ে উদ্বেগজনক ব্যাপারটা হচ্ছে

এখানে একটি  ইনস্টিটিউশন হিসেবে নির্বাচন জিনিসটাকেই  ধ্বংস করে  ফেলা হয়েছে ।একদম ধ্বংস হয়ে গলে। মানুষরে আস্থা পুরোপুরি চলে গলে।’
বিএনপির  সিনিয়র যুগ্ম মহাসচবি রুহুল কবরি রিজভি বলছেনে, আওয়ামী লীগরে কোনো র্প্রাথী এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হননি বরং প্রত্যকে প্রত্যেক এলাকার ইউএনও, থানার ওসি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন
বাংলাদশে এখন একদলীয় গণতান্ত্রকি রাষ্ট্র, বলছেে ভারতরে অবজারভার রসর্িাচ ফাউন্ডশেন।
প্রধান নর্বিাচন কমিশনার বলছেনে, নতুন করে আর  নির্বাচন করার কোন সুযোগ নেই। সারা দেশে ভোট উৎসব এবং শান্তপর্িূণ ভোট সম্পন্ন হয়ছেে বলে জানান সইিসি নূরুল হুদা। এই নির্বাচনে ৩৯ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে।  কন্তিু গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠিতে এই নির্বাচন নিয়ে  আপনারা কোনো ক্ষত্রেে অতৃপ্ত কিনা-এমন প্রশ্নরে জবাবে সিইসি বলনে, না আমরা অতৃপ্ত না, তৃপ্ত। সারাদিন আপনাদরে মাধ্যমইে, টলেভিশিনরে মাধ্যমে নর্বিাচনরে অবস্থা দেখেছি। ব্যাপকভাবে অনয়িম হয়ছেে এমন কিছু আমরা পাই নি।’
ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট, কী করে সম্ভব? কাজটি কীভাবে হলো? কারা ভোট  দিলেন ? যত ভোটার তার চয়েে একটি ব্যালট পেপারও বেশি হওয়ার কোনো সুযোগ নইে। তাহলে বেশি ব্যালট পেপার কোথা থেকে এলো? এর ব্যাখ্যা কী? যদিও পরে এই ভুলটি সংশােধন করা হয়েছে, তারপরও এই ‘ভুলের’ আসলে কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না।
খুলনা ১ আসনের মোট ভোটার ২লাখ ৫৯ হাজার ৪২০ জন। নৌকা প্রতীক ভোট পয়েছেে ২লাখ ৫৩হাজার ৬৬৯, ধানরে শীষ পয়েছেে ২৮হাজার ১৭০। নৌকা আর ধানরে শীষরে ভোট যোগ করলে হয় ২ লাখ ৮১ হাজার ১৭০, যা মোট ভোটাররে চেয়ে ২২ হাজার ৪১৯ ভোট বেশি।

জনশ্রুতি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ভোটের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখা হয়েছিল| জনশ্রুতি নিয়ে যখন তর্ক-বিতর্ক চলছিল, তখন বিবিসি বাংলা একটি প্রমাণ হাজির করলো| ভিডিও চিত্রে দেখা গেল, ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই ব্যালট বাক্সের অর্ধেক ভরা।

(চলবে)

 

আপনার মন্তব্য লিখুন