নিখোঁজের দু’দান পর টেকনাফের ইয়াবাকারবারির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

IMG_20181001_022743.jpg

দিসিএম

বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার শামসুল আলম মাঝি (৬৫) নামে শীর্ষ এক ইয়াবা ব্যবসায়ী   নিখোঁজের দু’দান পর গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেছে।

তিনি সাবরাং নয়াপাড়া এলাকার মৌলভী আলী হোসেনের ছেলে। এসময় গুলিবিদ্ধ লাশের পাশে ১ হাজার ইয়াবা, একটি দেশে তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়।

আজ শনিবার সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার শহরের বাইপাস সড়কের উত্তরণ আবাসনের বিপরীতে কাটাপাহাড়ের জঙ্গল থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দীন খন্দকার বলেন, ভোরে লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ কাটাপাহাড়ের জঙ্গলে অভিযান চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক বৃদ্ধের লাশ পাওয়া যায়। লাশের পাশে ইয়াবা, অস্ত্র ও গুলি পাওয়াও যায়। পরে লাশটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধারের ৬ঘণ্টা পর দুপুর ১২ টার দিকে লাশের পরিচয় পাওয়া যায়। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম শামসুল আলম মাঝি। তিনি সাবরাং নয়াপাড়া এলাকার মৌলভী আলী হোসেনের ছেলে।এদিকে খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে লাশ দেখতে আসেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। মর্গের সামনে কথা হয় নিহতের মেয়ে জামাই মো. রহিম।

মো. রহিম সিভয়েসকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার টেকনাফ থেকে মামলার হাজিরা দিতে কক্সবাজার আসার পথে শহরের কলাতলী মোড় থেকে সাদা পোশাক পড়া একদল লোক শামসুল আলম মাঝিকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের বিষয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারসহ সবাইকে অবগত করা হয়। কিন্তু কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে আজ শনিবার সকালে লাশ হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন তারা।

রহিম বলেন, ‘শামসুল আলম মাঝি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে ছিলেন। এক বছর আগে বাংলাদেশে এসে সাবরাং নয়াপাড়া এলাকায় কাপড়ের দোকান করতেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে প্রশাসন।’

আপনার মন্তব্য লিখুন