নারীর বিষন্নতা যখন কাউকেই নাড়া দেয় না

sb.asg-034-1048.jpg

তিথি চক্রবর্তী।।

মানুষের মনের ভেতরের নানা ধরনের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া বাইরে থেকে বোঝা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়। দেখা যায় না বলে মন আমাদের কাছে সবসময় অবহেলিত। অথচ সুস্থ কিংবা ভালো থাকা মানে হলো শরীর ও মন দুটোই ভাল থাকা।

উন্নত দেশে মানুষের শারীরিক অবস্থার মতো মানসিক অবস্থাকেও অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। কিন্তু এদেশে মানসিক অবস্থাকে অগুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে কিছুটা গুরুত্ব পেলেও, নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি কোন খেয়াল থাকে না কারও। নারীর কষ্ট, বেদনা যত তীব্রই হোক, তাকে সংসারের সব কাজ ঠিকমতো করতে হয়। সবার মন জয় করতে হয়। অথচ দিনশেষে নারীর অনুভূতি কিংবা ব্যথা বুঝবার মানুষ নেই। অধিকাংশ স্বামীও তার স্ত্রীর মনের অবস্থার প্রতি যত্নশীল হয় না।

তাছাড়া এদেশের বেশিরভাগ মানুষ ভাবে কেবল পাগল বা মানসিক সমস্যা থাকলেই এর চিকিৎসা করাতে হবে। মনের দুঃখ, কষ্ট, বিষন্নতা এগুলো খুব স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। যেহেতু সমাজ পুরুষতান্ত্রিক তাই নারীর দুঃখ কিংবা অনুভূতি সহজেই উপেক্ষিত হয়। এমনকি নারীর মনের নানা উপসর্গে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতেও কুন্ঠাবোধ করে অনেক পরিবার।

মন দর্শনশাস্ত্রের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মন বলতে সাধারণভাবে বোঝায় যে, বুদ্ধি ও বিবেকবোধের এক সমষ্টিগত রূপ যা চিন্তা, অনুভূতি, আবেগ, ইচ্ছা ও কল্পনার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। মন কি এবং কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে অনেক রকম তত্ত্ব প্রচলিত আছে। এসব তত্ত্ব নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে মূলত গ্রীক দার্শনিক প্লেটো, অ্যারিস্টটলের সময় থেকে। মানুষের মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভূত শারীরবৃত্তিক কর্মকান্ডের মাধ্যমেই মন গড়ে ওঠে।

শরীরের রোগে যেমন নানা উপসর্গ দেখা দিতে পারে তেমনি মনের রোগেরও উপসর্গ থাকে। মেজাজ খিটখিটে হওয়া, বিষন্নতা, কোন কাজে মনোযোগ দিতে না পারা, আচার আচরণে পরিবর্তন ইত্যাদি। মনের কষ্ট সহজে অন্যের মনোযোগ পায় না বলে মানসিক সমস্যার একটি বড় অংশ শারীরিক সমস্যা হিসেবে প্রকাশিত হয়।

সাকিনা হুদা (৭৫) একজন গৃহিনী। চার কন্যা সন্তানের মা তিনি। এই রক্ষণশীল সমাজে অনেক কষ্ট করে মেয়েদের মানুষ করেছেন। তার মেয়েরা এখন ভালো প্রতিষ্ঠানে বড় পদে কর্মরত। মেয়েদের লেখাপড়া করাতে গিয়ে শ্বশুর ও দেবরদের কাছে নানা কথা শুনতে হয়েছে তাকে। তারপরও মেয়েদের লেখাপড়ার ব্যাপারে তিনি ছিলেন সচেতন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার সুযোগ পেয়েও বাচ্চা হয়ে যাওয়ার কারণে আর পড়তে পারেননি। তাছাড়া স্বামী সরকারি চাকরি করতেন বলে প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় বদলি হতেন। চাকরি করতে পারেননি বলে এই বয়সেও আক্ষেপ করেন তিনি। নিজে উপার্জন করতে না পারার কষ্ট তাকে এখনও যন্ত্রণা দেয়, মন খারাপ করে দেয়। সেই থেকে বিষন্নতার সূত্রপাত। প্রায়ই বিষন্নতা তাকে পর্যুদস্ত করে রাখে।

সাকিনা হুদার মতো অসংখ্য নারী সংসার সামলাতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ার, পছন্দ কিংবা চাওয়াগুলো ঠিক রাখতে পারেন না।

নিজের কষ্টগুলো কার কাছে বলতে পারেন জানতে চাইলে সাকিনা বলেন, কিছু কথা কাউকেই বলতে পারিনা। স্বামী অনেক কাজে সহযোগিতা করলেও আমার কিছু বিষয় বুঝতে পারেন না। আবার মেয়েদেরও অনেক কিছু বলিনা কারণ তাদের নিজেদের সংসার ও নানা ধরনের ব্যস্ততা আছে। আমার সমস্যাগুলো বললে ওরা দুশ্চিন্তা করবে। এজন্য নিজের মধ্যেই অনেক কিছু রাখি।

মনের কষ্ট ভুলে থাকার জন্য সাকিনা হুদা এই বয়সেও বই পড়েন, সুন্দর করে ঘর গুছিয়ে রাখেন। ছিমছাম ও পরিচ্ছন্ন থাকতেই পছন্দ করেন তিনি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১১ সালের এক জরিপে দেখা যায়, দেশের প্রায় ৮৭ শতাংশ বিবাহিত নারী কোন না কোন ভাবে বছরে একবার হলেও সহিংসতার শিকার হন। এসবের মধ্যে আবার মানসিক নির্যাতনের হারই বেশি। জীবনসঙ্গীর হাতে মানসিক নির্যাতনের হার ৮২ শতাংশ। অন্যদিকে যৌন বা শারীরিক নির্যাতনের হার ৬৭ শতাংশ এবং অর্থনৈতিক নির্যাতন ৫৩ শতাংশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানিয়া হক বলেন, এদেশের মানুষ শারীরিক ব্যাপারটিকেই বড় করে দেখে। নারীর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সত্য। আবার বেশিরভাগ সময় নারী নিজেও নিজের মনকে অবদমিত করে রাখে। নিজের কষ্টগুলো কাউকে বলতে পারে না। কারণ নারী জানে কষ্টের কথা বলে কোন লাভ হবে না। সে তার চারপাশে এমন কাউকেই দেখতে পায় না যাকে বললে সে হালকা হবে। মন খারাপ থাকলেও সাংসারিক সব কাজ তাকেই করতে হবে, তার বিকল্প কেউ নেই। এজন্য নারী দমিয়ে রাখে তার মনকে। নিজের মনের অবস্থা নিয়ে কারও কাছে কিছু দাবিও করতে পারে না।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে স্নাতকোত্তর পাস করেন সাদিয়া ইসলাম (ছদ্মনাম)। সন্তান জন্মের আগে পর্যন্ত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি। এরপর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যদের চাপে চাকরি ছেড়ে দেন। স্বামী বড় ব্যবসায়ী। সাদিয়া এখন দুই মেয়ের মা। বিয়ের পর স্বামীর আচরণ ভাল থাকলেও দ্বিতীয় মেয়ের জন্মের পর অবস্থা পুরো পাল্টে যায়। দ্বিতীয় সন্তান কেন ছেলে না হয়ে মেয়ে হলো এজন্য স্বামীর অনেক কথা শুনতে হয়েছে সাদিয়াকে। এখন স্বামীর সাথে সম্পর্কের এতোটাই অবনতি হয়েছে যে, প্রত্যেক বিষয় নিয়ে তাকে অপমানজনক কথা বলে তার স্বামী। বাড়িতে আত্মীয় স্বজন আসলেও তাদের সামনে সাদিয়াকে ছোট করে নানাভাবে।

সাদিয়া বলেন, এই সংসারে আমার কোন মূল্য নেই। হঠাৎ শরীর খারাপ করলেও আমার স্বামী কখনও জানতে চায় না আমার কী হয়েছে। ডাক্তার দেখানোর কথা বলা তো দূরের কথা। তিনি মন্তব্য করেন, বিয়ে করে অপমান সহ্য করাই যেন আমার প্রাপ্য ছিল।

এতো অপমান গঞ্জনা সহ্য করেও সংসার করতে হচ্ছে সাদিয়াকে। তাকে বোঝার মতো সংসারে কেউ নেই। প্রতিদিন সংসারের সব বোঝা মাথায় নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু তার সুবিধা, অসুবিধা , রোগশোক কে বোঝে? সাদিয়ার মতো এদেশের অসংখ্য নারী এধরনের মানসিক নির্যাতন সহ্য করে দিনের পর দিন সংসার করে যাচ্ছে।

 

 

গ্রামের তুলনায় শহরের নারীরা বেশি মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। ২০১১ সালের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) এক জরিপে দেখা গেছে, শহরের প্রায় ৫২ শতাংশ পুরুষ স্ত্রীকে মানসিক নির্যাতন করেন। গ্রামে এই হার ৪৬ শতাংশ। অর্থ্যাৎ শহরের ৬ শতাংশ নারী বেশি মানসিক নির্যাতনের শিকার হন।

সাধারণভাবে আমরা মনে করি, মেয়েরা চাকরি করলে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা আসবে। ফলে স্বামী কিংবা শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সহ্য করতে হবে না। অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিক থেকে বিচার করলে এই ধরনের ভাবনা হয়তো কিছুটা ঠিক। কিন্তু সমাজের চিত্রটি একটু গভীরভাবে দেখলে বোঝা যায়, শুধুমাত্র চাকরি করলেই মেয়েরা মানসিক নির্যাতন থেকে রেহাই পায় না। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মেয়েদের মানসিক মুক্তি মেলা অনেক কঠিন।

এ বিষয়ে কথা বলি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক লেখিকা রুবি রহমানের সাথে। তিনি বলেন, আমাদের মতো দরিদ্র দেশের মানুষ ভাল করে তিনবেলা খেতেই পায় না। সেখানে মন নিয়ে ভাবা কঠিন। গরীব দেশের জনগণের জন্য মনের দিকে খেয়াল করার মতো অবকাশ হয় না। নারীর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও কঠিন। নারীকে সংসারের সবকিছু মিটিয়ে তারপর নিজের কথা ভাবতে হয়। যেমন প্রতিবেলা সবার খাওয়া শেষ হলে মেয়েরা খায়। সে কী খেতে ভালবাসে তা কেউ খোঁজ রাখে না। এই পরিস্থিতিতে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভাবা নারীর পক্ষে অনেক কঠিন।

অনন্যা রায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। স্বামী সরকারি কর্মকর্তা হলেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য চাকরি করছেন। চাকরি করেন বলে পরিবারে সময় দিতে পারেন না অনন্যা। এজন্য নিয়মিত কথা শুনতে হয় শ্বাশুরির। তবুও সংসার ছেড়ে আসতে পারেন না। মুখ বুজে সহ্য করেন। অনন্যা বলেন, নারীর আবার মন! প্রতিদিন ভোর ৬ টায় ঘুম থেকে উঠি। নাস্তা তৈরি করি, বাচ্চার টিফিন বানিয়ে দেই, ওকে স্কুলে রেখে তারপর অফিসে যাই। তারপর অফিস থেকে ফিরে রাতের ও পরদিনের জন্য রান্না করি। তারপরও আমি ভাল বৌ হতে পারিনি। কোনদিন মন খারাপ থাকলেও কাউকে বলতে পারিনা। ঈদ, পূজার ছুটিতে বাবার বাড়ি যেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু কখনও বলতে পারি না। বিয়ে হয়েছে ১০ বছর হলো। এ পর্যন্ত মাত্র একবার পূজায় বাবার বাড়ি যেতে পেরেছি। কোনদিন পূজায় এরা আমাকে জিজ্ঞেসও করে না আমার কোথায় যেতে ইচ্ছা করছে।

তিনি আরও বলেন, তার চাকরির বেতনের টাকা যদি শ্বশুরবাড়ির পেছনে খরচ করেন, তাহলে শ্বশুর শ্বাশুরি খুশি হয়। আর তার বাবা, মায়ের জন্য খরচ করলে তাদের মুখ কালো হয়। এ ধরনের নানা মানসিক চাপ সহ্য করে সংসার করছেন অনন্যা।

সংসারে অশান্তি হবে কিংবা লোক জানাজানি হওয়ার ভয়ে এভাবে অনেক মেয়ে তার কষ্টের কথা কাউকে বলতে চান না। এমনকি স্বামীকে বলতে গেলেও সাতপাঁচ ভাবতে হয়।

কথাসিহত্যিক রুবি রহমান বলেন, নারী নিজের মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার মতো সমাজ বাস্তবতা পায় না। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারনে নিজেকে লুকিয়ে রাখে। মেয়েরা সংসারের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে। সূর্য়োদয়ের আগে ঘুম থেকে ওঠে এবং ঘুমাতে যায় মধ্যরাতে। এতো খাটুনির পর নিজের দুঃখ কষ্ট প্রকাশ করার সুযোগ হয়না। মুখ বুজেই পরদিনের জন্য তাকে প্রস্তুত হতে হয়। তাছাড়া পরিবারের সবার প্রয়োজন মেটানোর পর নিজের ভাললাগা কিংবা মন্দ লাগাকে প্রাধান্য দেওয়া অনেক কঠিন। অত্যন্ত সংবেদনশীল পুরুষ ছাড়া কোন স্বামী তার স্ত্রীর মন বোঝার চেষ্টা করে না।

নারীর এই অধঃস্তন অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কি করা উচিত জানতে চাইলে রুবি রহমান বলেন, নারীর এই অবস্থার পরিবর্তন তখনই সম্ভব যখন সমাজ পরিবর্তন হবে। আর সমাজ পরিবর্তনের জন্য দরকার শিক্ষার। শিক্ষিত সমাজের মানুষের বিবেক থাকে। শিক্ষা না থাকলে নারীর প্রতি পুরুষের সংবেদনশীলতা কখনোই আসবে না। এজন্য নারী, পুরুষকে সমান শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তাহলেই সমাজ থেকে এমন আরও বহু অসঙ্গতি দূর হবে।

অধ্যাপক তানিয়া হক বলেন, মনের কষ্ট দেখা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়। নারীর মন অবদমিত হতে হতে এমন একটা জায়গায় গিয়েছে যেখানে নারীর আর কোন ক্ষমতা নেই। রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অবস্থান নেই। গুটিকয়েক মেয়ের নিজের ঘর আছে। অধিকাংশ মেয়েদের নিজের কোন ঘর নেই। বিয়ের পর মেয়েরা স্বামীর বাড়ি যায়। কিন্তু কোন স্বামী তো মেয়ের বাড়ি আসে না! এমন অনেক ধরনের প্রতিকূলতা নিয়ে মেয়েদের পথ চলতে হয়।

নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি কিভাবে গুরুত্ব দিতে হবে জানতে চাইলে তানিয়া হক বলেন, মন ও শরীর দুটো বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। শরীরের সাথে মনের একটা সংযোগ আছে এটা আমরা অনেকেই বুঝি না। প্রথমত পরিবারের সদস্যদের নারীর মানসিক অবস্থার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। এরপর আসবে সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বেশিরভাগ পরিবারে ছেলেদের প্রাধান্য দেওয়া হয়। ছেলে যা আবদার করে তাই পূরণ করে বাবা মা। এই জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিটি পরিবার যদি ছেলেমেয়েকে সমান চোখে দেখে ও সমান সুযোগ সুবিধা দিয়ে বড় করে তাহলে একটা নতুন সংস্কৃতি তৈরি হবে। এতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও এই সংস্কৃতি ধারণ করবে।

তিনি বলেন, পরিবারের পর আসে সমাজের ভূমিকা। সমাজও বিভিন্নভাবে নারীকে বিষন্ন করে তোলে। যেমন অনেকসময় কোন মেয়ের বিয়ে দেরিতে হলে আশেপাশের লোকজন এটা নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু করে। তখন মেয়েটির মনের ওপর এক ধরনের চাপ তৈরি হয়। আবার অনেক মেয়ের শারীরিক গঠন ও গায়ের রং নিয়ে তাচ্ছিল্য করে সমাজ। ফলে এই নারীদের মধ্যে হীনমন্ম্যতা তৈরি হয়, নিজের প্রতি বিশ্বাস কমে যায়। এই ধরনের চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মানুষকে বিচার করতে হবে গুণ দিয়ে, অন্যকিছু দিয়ে নয়।

 

আলোকচিত্র- আশীষ সেনগুপ্ত

মডেল- আঁখি ভদ্র ও আত্রলিতা

 

আপনার মন্তব্য লিখুন