কক্সবাজার দেশের সর্ববৃহৎ পর্যটন শিল্প নানা সমস্যায় এগুচ্ছে না

The-Longest-Sea-Beach-Coxs-Bazar-1.jpg

সুজাউদ্দিন রুবেল :

নানা সমস্যায় বিকশিত হচ্ছে না কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত থাকা সত্ত্বেও এখনো পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা গড়ে না উঠায় দিন দিন ভ্রমণে আগ্রহ হারাচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকারি দপ্তরগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণে কোনোভাবেই এগুচ্ছেনা পর্যটন শিল্প। তবে পর্যটনকে ঘিরে সরকারের চলমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলো স্বল্পসময়ে শেষ হলে সুফল পেতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার।  সাগর পাড়ের সত্যিকারের মনোরম আবহ খুঁজে পর্যটকরা ছুটে আসে সৈকতের এই শহরে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে সৈকতে জড়ো হয় লাখো পর্যটক।

কিন্তু এখনো পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা গড়ে ওঠেনি। শুধুমাত্র সমুদ্র সৈকত ও হোটেল ছাড়া আর কিছুই নেই। ফলে দিন দিন ভ্রমণে আগ্রহ হারাচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা।

একজন পর্যটক বলেন, বীচে যাওয়ার পর আমাদের আর যাওয়ার জায়গা নেই। শুধু বীচেই ঘুরতে হয়।’

আরেকজন বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য খেলার আলাদা জায়গা, এরকম কিছু থাকলে পর্যটনের ব্যবস্থাতেই সুবিধা আসবে।’

সরকারি দপ্তরগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণে কোনোভাবেই এগুচ্ছেনা কক্সবাজারে পর্যটন শিল্প এমনটায় মনে করছেন হোটেল মালিক সমিতির এ নেতা।

হোটেল মালিক সমিতি মুখপাত্র আবু তালেব শাহ বলেন, জেলা প্রশাসন, বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এদের তিনি জনের সমন্বয়ে আরো ত্বরান্বিত হবে।’

তবে জেলা প্রশাসক জানালেন, কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো স্বল্পসময়ে শেষ হলেই বিকশিত হবে পর্যটন খাত।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন  বলেন, ‘বীচের এলাকার যে নিরাপত্তা এসবের কার্যক্রম খুবই তাড়াতাড়ি শুরু হবে।’

প্রতি বছর অবকাশ যাপনে কক্সবাজার ভ্রমণে আসেন ১৫ লাখের বেশি ভ্রমণ পিপাসু। কিন্তু তাদের সমুদ্রস্নান ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে বেসরকারি ৩০ জন লাইফ গার্ড ও দেড় শতাধিক টুরিস্ট পুলিশ।

আপনার মন্তব্য লিখুন