কক্সবাজার থেকে টেকনাফ হবে পর্যটনের নবদিগন্ত: পর্যটনমন্ত্রী

kamal-5bae43d519d13.jpg

ডেস্ক নিউজ – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল বলেছেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার থেকে টেকনাফের সাবরাং পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে।কক্সবাজার থেকে টেকনাফ হবে পর্যটনের নবদিগন্ত।

শুক্রবার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় সপ্তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সেখানে আবাসনসহ অবকাঠামো উন্নয়ন করা হচ্ছে।কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করা হবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের সহযোগিতায় এ মেলার আয়োজন করে পর্যটন বিচিত্রা। মেলা চলবে রোববার পর্যন্ত (সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা)।

মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে পাঁচ তারকা হোটেল, মোটেল ও কটেজ, ওয়াটার ভিলা, বিশেষ ক্লাব, সুইমিংপুল, কনভেনশন হল, ইকো-ট্যুরিজম, মেরিন অ্যাকুরিয়াম, সি-ক্রুজ, ইকো-কটেজ, আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্টসহ নানা বিনোদনের সুবিধা পাবেন পর্যটকরা। ভাসমান জেটি, শিশু পার্ক, বিনোদন পার্কসহ বিদেশি পর্যটকদের বিনোদনের সব চাহিদা থাকবে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোনে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় বিমানবন্দর নির্মাণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। আমাদের তো জমি কম। যানজট থেকে বাঁচতে আকাশপথই আমাদের জন্য ভালো।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান কবির, বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকায় ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূত ভিভিনসিও টি বান্ডিলো ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত রিনা পি. সওইমারনো।

এবার মেলায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুরের পর্যটন সংস্থা অংশ নিচ্ছে। এ ছাড়াও আসন্ন পর্যটন মৌসুমকে টার্গেট করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফার, হোটেল, রিসোর্টে প্যাকেজ বুকিংসহ বিশেষ ছাড়ের অফার দিচ্ছে। মেলায় হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটরসহ পর্যটন সংশ্নিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন