কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সম্পদের অনুসন্ধানের করতে বললেন র‌্যাব ডিজি

1087_me.jpg

দিসিএম

কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আয়ের উৎস ও সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য দুদক ও ইনকামট্যাক্সকে অনুরোধ করেছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ।
বেনজির আহমেদ বলেন, এই অঞ্চলে একের পর এক আলিশান বাড়ি তৈরী হচ্ছে। নব্য কোটিপতি দেখা যাচ্ছে। ইনকাম ট্যাক্স আর দুদককে অনুরোধ করবো, এই টাকা কোত্থেকে পেল এবং কিসের উপর ভিত্তি করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাচ্ছেন সেটি খতিয়ে দেখার জন্য।
জনগণের উদ্দেশ্যে ডিজি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে তথ্য দেন, কেউ কিছু করতে পারবে না। কোন মাদক ব্যবসায়ী যদি আঙ্গুল তুলে, তাহলে ওই আঙ্গুল সঙ্গে সঙ্গে তুলে ফেলবো। কিসের গডফাদার, কিসের গডমাদার। কেউ হাত বের করার চেষ্টা করলে সেই হাত চুর্ণবিচুর্ণ করে দেব।
বেনজির বলেন, সারাদেশে ইয়াবা ঢুকে এই অঞ্চল দিয়ে। একারণে এই অঞ্চলের প্রচুর বদনাম। কিন্তু গুটি কয়েক মানুষের জন্য কেন ২৩ লক্ষ মানুষ বদনামের ভাগিদার হবে।
আপনারা (জনগণ) আওয়াজ তুলুন, এসব মাদক ব্যবসায়ীদের আর রেহায় হবে না। নিরবতা পালন করবে না। প্রজন্মকে বাঁচানোর স্বার্থে হলেও একবার রুখে দাঁড়ান।
শনিবার দুপুরে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ৪৩ জন সশস্ত্র জলদস্যু ও সন্ত্রীদের আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে মাদকের প্রসঙ্গ টেনে র‌্যাব ডিজি এসব কথা বলেন।
জলদস্যুদের বিষয়ে র‌্যাবের ডিজি বেনজির আহমেদ বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে পেরেছি। সেখানে আর মাত্র একটি বাহিনী আছে। সেটিও আগামী ৩১ অক্টোবর আত্মসমর্পন করবে। আমরা মহেশখালী-কুতুবদিয়া অঞ্চলকে জলদস্যু তথা সন্ত্রাসমুক্ত করতে চায়। যেকোন কিছুর বিনিময়ে এটা করা হবে। কারণ উন্নয়নের মহাসড়কে সন্ত্রাস থাকতে পারে না। এখন সুবর্ণ সুযোগ। তোমরা (সন্ত্রাসী- জলদস্যু) কে কোথায় আছ, সব জানি। সময় থাকতে আত্মসমর্পন করো। নয়তো পরিণতি কি হবে সেটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা জানেন।
আত্মসমর্পন করা জলদস্যুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তোমার কাছে অস্ত্র আছে তিনটা। কিন্তু জমা দেবে দুইটা, একটা লুকিয়ে রাখবে। এটা হবে না। র‌্যাবের সাথে এই বাটপারী করা যাবে না। আমরা জানি কার কাছে কয়টা অস্ত্র আছে। আর কেউ ভবিষ্যতে ওই ভুল পথে আবারও পা বাড়াতে চাইলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন