আবারও বাঁশেরকেল্লা ফেসবুক পেজ বন্ধ

resize-350x300x1x0image-93032-1537605406.jpg

যুগান্তর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামী ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রিত শক্তিশালীফেসবুক পেজ বাঁশেরকেল্লা (https://www.facebook.com/newbasherkella/) আবারওবন্ধ হয়ে গেছে।

ফেসবুকের এক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ৩৬ মিনিটে ফেসবুক পেজটি ডাউন করে দেয়া হয়েছে।

জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, রাষ্ট্র ও ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগে এর আগে ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পেজটি বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্ট রেসপনস টিম বা বিডি সিএসআইআরটি।

একই অভিযোগে ১২টি ব্লগ ও ফেসবুক পেজ বন্ধ করে দেয়া হয় ওই সময়।

সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার বাঁশেরকেল্লা পেজের মাধ্যমে সরকারবিরোধী এবং উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। সরকার এই নিয়ে বিব্রতবোধ করলেও কিছু করার ছিল না।

কারণ বাঁশেরকেল্লা ফেসবুক পেজটি দেশের বাইরে থেকে পরিচালনা করা হতো। ফলে বিভিন্ন সময় পেজটির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, বাঁশেরকেল্লায় পোস্টগুলো পাতাটির টুইটার অ্যাকাউন্টেও পোস্ট করা হয়।

তিনি বলেন, প্রতিটি ছবির সঙ্গে তারা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিবিসি, সিএনএন, আলজাজিরা লাইভ, আলজাজিরা স্ট্রিম ও ইউএনকে যোগ করে নিচ্ছে। এভাবেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরাজিত বাপেদের অবশিষ্ট লড়াইটা করে যাচ্ছে ওরা।

২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পেজটি বন্ধ করে দেয়া হলে এই ছবিটি নতুন পেজে প্রকাশ হয়েছিল। ছবি: সংগৃহীত

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যেসব ফেসবুক পেজ বন্ধ করা যায় বলে গোয়েন্দারা তালিকা তৈরি করেছেতার মধ্যে রয়েছে দ্বিতীয় আলো, বিদ্রোহী আলো, বখতিয়ারের ঘোড়া, ফরায়েজী আন্দোলন, ব্রেকিং আঠারো দলীয় জোট, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ভিশন ২০২১, ফ্রিডম অব স্পিস, বাংলাদেশ জামায়াত ই ইসলামী, বিডি ন্যাশনালিস্ট, ১৮ দলীয় জোট, শো নিউজ কম, লন্ডন বাংলা নিউজ, তরুণ প্রজন্ম উল্লেখযোগ্য।

এই পেজগুলোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশৃংখলা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) বলছে, দেশের টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী আমরা সুপারিশ করেছি, কোনোধরনের রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়। বিটিআরসি২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্ট রেসপনস টিম (বিডি সিএসআইআরটি) গঠন করে। কার্যত এই প্রতিষ্ঠানটি এখন অচল হয়ে পড়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন